ঢাকা ১০:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ৫ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি ::
আমাদের নিউজপোর্টালে আপনাকে স্বাগতম... সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে...

৫ ফুট ৮ ইঞ্চি লম্বা চুল এই নারীর

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:১৭:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ৬৮ বার পড়া হয়েছে

শেষবার চুল কাটিয়েছিলেন ১৯৯০ সালে। এরপর ৩৩ বছর কেটে গেছে। দীর্ঘ এই সময়ে চুল বেড়ে হয়েছে ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি লম্বা। লম্বা কেশের নারী হিসেবে তাঁর নাম উঠে এসেছে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে।

যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যের বাসিন্দা এই নারীর নাম তামি মানিস। সবচেয়ে লম্বা ‘মুলেট’ চুলের জন্য বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন তিনি। মুলেট চুল রাখার একটি ধরন। কপালের উপরিভাগ ও পাশের চুল ছোট রেখে পেছনের চুলে বেশ কয়েকটি স্তর দিয়ে বড় রাখার ধরনকে মুলেট বলা হয়।

তামি মানিস জানান, সামনের ও পাশের চুল ছোট করলেও ১৯৯০ সালের ৯ ফেব্রুয়ারির পর তিনি পেছনের চুল আর কাটাননি। কিশোর বয়স থেকেই মুলেট রাখা শুরু করেন। আশির দশকের জনপ্রিয় মার্কিন ব্যান্ড ‘টিল টুয়েসডে’-এর এক গানের ভিডিও থেকে তিনি এই অনুপ্রেরণা পেয়েছিলেন।

তামি জানান, চুল লম্বা রাখার ফলে অন্য রকম এক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন তিনি। বললেন, ‘সবচেয়ে অদ্ভুত লেগেছে লোকজন আমাকে এ জন্য বহু বছর ধরে মনে রেখেছে। এমন মানুষের সঙ্গেও দেখা হয়েছে, যাঁরা ২০ বছর পরও আমাকে চিনতে পেরেছেন। কারণ, আমার চুলের ধরন।

লম্বা মুলেট আছে, এমন ব্যক্তিদের নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে মুলেট চ্যাম্পিয়নশিপ নামে একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। গত বছর এই প্রতিযোগিতায় নারীদের মধ্যে দ্বিতীয় হন তামি। এর কিছুদিন পরই তিনি জানতে পারেন, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ মুলেট নামে বিশেষ ক্যাটাগরি করেছে।

বিষয়টি জানার পরই আবেদন করেন তামি মানিস। গিনেস কর্তৃপক্ষ বিষয়টি যাচাই করে সম্প্রতি তাঁকে এই স্বীকৃতি দিয়েছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া দীর্ঘ হলেও সনদ পেয়ে তিনি বেশ উচ্ছ্বসিত বলে জানালেন তামি।

সনদ হাতে পাওয়ার মুহূর্তটি স্মরণ করে তামি মানিস বলেন, ‘আমি সনদ খুলে দেখার পর চমকে যাই। গিনেস কর্তৃপক্ষ যাঁকে সনদসহ পাঠিয়েছিল, তাঁর কাছে বিষয়টি জানতে চাই। এরপরই মূলত নিশ্চিত হই, সবচেয়ে লম্বা মুলেটের নারীর স্বীকৃতিটি এখন আমার। বিষয়টি সত্যিই অসাধারণ!’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ডিবির হারুন বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে কিশোর গ্যাং সদস্যদের সঙ্গে জড়িত ৩৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছৈ। তাদের গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ওয়ারী ও গুলশান বিভাগ। গ্রেফতারদের মধ্যে বেশিরভাগ কিশোর গ্যাং সদস্যের বিরুদ্ধে থানায় মামলা রয়েছে। তিনি জানান, গ্রেফতাররা বাড্ডা, ভাটারা, তুরাগ, তিনশ ফিট ও যাত্রাবাড়ীসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় টার্গেট করা ব্যক্তিদের ইভটিজিং বা কোনো সময় ধাক্কা দেওয়ার ছলে উত্ত্যক্ত করত। এরপর তারা ঘেরাও করে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে মোবাইলফোন এবং নারীদের কাছ থেকে সোনার অলঙ্কার ছিনিয়ে নিত। এ ছাড়া তারা ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও চুরির সঙ্গে জড়িত। এসব গ্যাং সদস্য মাদক কারবারের সঙ্গেও জড়িত। ডিবি হারুন জানান, গ্রেফতার কিশোর গ্যাং সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদে কিছু কথিত বড় ভাইয়ের নাম পাওয়া গেছে। বড় ভাইদেরও গ্রেফতার করা হবে। কিশোর গ্যাং সদস্যদের বিরুদ্ধে ডিবির প্রতিটি টিম কাজ করছে।

৫ ফুট ৮ ইঞ্চি লম্বা চুল এই নারীর

আপডেট সময় : ০৬:১৭:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩

শেষবার চুল কাটিয়েছিলেন ১৯৯০ সালে। এরপর ৩৩ বছর কেটে গেছে। দীর্ঘ এই সময়ে চুল বেড়ে হয়েছে ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি লম্বা। লম্বা কেশের নারী হিসেবে তাঁর নাম উঠে এসেছে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে।

যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যের বাসিন্দা এই নারীর নাম তামি মানিস। সবচেয়ে লম্বা ‘মুলেট’ চুলের জন্য বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন তিনি। মুলেট চুল রাখার একটি ধরন। কপালের উপরিভাগ ও পাশের চুল ছোট রেখে পেছনের চুলে বেশ কয়েকটি স্তর দিয়ে বড় রাখার ধরনকে মুলেট বলা হয়।

তামি মানিস জানান, সামনের ও পাশের চুল ছোট করলেও ১৯৯০ সালের ৯ ফেব্রুয়ারির পর তিনি পেছনের চুল আর কাটাননি। কিশোর বয়স থেকেই মুলেট রাখা শুরু করেন। আশির দশকের জনপ্রিয় মার্কিন ব্যান্ড ‘টিল টুয়েসডে’-এর এক গানের ভিডিও থেকে তিনি এই অনুপ্রেরণা পেয়েছিলেন।

তামি জানান, চুল লম্বা রাখার ফলে অন্য রকম এক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন তিনি। বললেন, ‘সবচেয়ে অদ্ভুত লেগেছে লোকজন আমাকে এ জন্য বহু বছর ধরে মনে রেখেছে। এমন মানুষের সঙ্গেও দেখা হয়েছে, যাঁরা ২০ বছর পরও আমাকে চিনতে পেরেছেন। কারণ, আমার চুলের ধরন।

লম্বা মুলেট আছে, এমন ব্যক্তিদের নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে মুলেট চ্যাম্পিয়নশিপ নামে একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। গত বছর এই প্রতিযোগিতায় নারীদের মধ্যে দ্বিতীয় হন তামি। এর কিছুদিন পরই তিনি জানতে পারেন, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ মুলেট নামে বিশেষ ক্যাটাগরি করেছে।

বিষয়টি জানার পরই আবেদন করেন তামি মানিস। গিনেস কর্তৃপক্ষ বিষয়টি যাচাই করে সম্প্রতি তাঁকে এই স্বীকৃতি দিয়েছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া দীর্ঘ হলেও সনদ পেয়ে তিনি বেশ উচ্ছ্বসিত বলে জানালেন তামি।

সনদ হাতে পাওয়ার মুহূর্তটি স্মরণ করে তামি মানিস বলেন, ‘আমি সনদ খুলে দেখার পর চমকে যাই। গিনেস কর্তৃপক্ষ যাঁকে সনদসহ পাঠিয়েছিল, তাঁর কাছে বিষয়টি জানতে চাই। এরপরই মূলত নিশ্চিত হই, সবচেয়ে লম্বা মুলেটের নারীর স্বীকৃতিটি এখন আমার। বিষয়টি সত্যিই অসাধারণ!’