ঢাকা ১২:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি ::
আমাদের নিউজপোর্টালে আপনাকে স্বাগতম... সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে...

২৪ ঘণ্টায় ১২ নবজাতকসহ ২৪ জনের মৃত্যু মহারাষ্ট্রের হাসপাতালে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৫৪:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর ২০২৩ ৭০ বার পড়া হয়েছে

ভারতের মহারাষ্ট্রের একটি হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টায় ১২ নবজাতকসহ ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এসব মৃত্যুর জন্য ওষুধপত্রের ঘাটতিসহ জনবলের সংকটকে দায়ী করেছে।

রাজ্যের নানদেনে শঙ্করাও চ্যাবন সরকারি হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটেছে। নবজাতক ছাড়া বাকি ব্যক্তিদের বেশির ভাগই ছিলেন সাপে কাটা রোগী।
শঙ্করাও চ্যাবন সরকারি হাসপাতালের ডিন বলেছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় ৬টি ছেলে নবজাতক ও ৬টি মেয়ে নবজাতক মারা গেছে। এ ছাড়া প্রাপ্তবয়স্ক ১২ রোগী মারা গেছেন। তাঁদের বেশির ভাগই ছিলেন সাপে কাটা রোগী। বাকিরা নানা রোগে ভুগছিলেন।

মারা যাওয়া প্রাপ্তবয়স্ক এই রোগীদের মধ্যে পাঁচজন পুরুষ ও সাতজন নারী।
বেশ কিছু কর্মী বদলি হয়ে যাওয়ায় তাঁরা কিছুটা বেকায়দায় পড়েছেন উল্লেখ করে হাসপাতালের ডিন দাবি করেন, তহবিল–সংকটসহ ওষুধপত্রের ঘাটতি রয়েছে।

এ ঘটনাকে ‘দুর্ভাগ্যজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ধে। তিনি জানান, এ ঘটনায় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এ ঘটনায় হাসপাতালটি ঘুরে দেখেছেন রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও কংগ্রেস নেতা অশোক চ্যাবন। তিনি জানান, হাসপাতালে ভর্তি থাকা আরও ৭০ রোগীর অবস্থা জটিল। অনেক যন্ত্র কাজ করছে না। এ ছাড়া হাসপাতালটির ধারণক্ষমতা ৫০০ জনের হলেও ভর্তি আছেন ১ হাজার ২০০ রোগী। ওষুধপত্রের ঘাটতিও আছে। তিনি সরকারকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়ার দাবি জানান।

বিরোধীরা এ ঘটনায় সরকারের কঠোর সমালোচনা করেছে। তারা বলেছে, এ জন্য সরকার দায়ী।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

২৪ ঘণ্টায় ১২ নবজাতকসহ ২৪ জনের মৃত্যু মহারাষ্ট্রের হাসপাতালে

আপডেট সময় : ০২:৫৪:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর ২০২৩

ভারতের মহারাষ্ট্রের একটি হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টায় ১২ নবজাতকসহ ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এসব মৃত্যুর জন্য ওষুধপত্রের ঘাটতিসহ জনবলের সংকটকে দায়ী করেছে।

রাজ্যের নানদেনে শঙ্করাও চ্যাবন সরকারি হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটেছে। নবজাতক ছাড়া বাকি ব্যক্তিদের বেশির ভাগই ছিলেন সাপে কাটা রোগী।
শঙ্করাও চ্যাবন সরকারি হাসপাতালের ডিন বলেছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় ৬টি ছেলে নবজাতক ও ৬টি মেয়ে নবজাতক মারা গেছে। এ ছাড়া প্রাপ্তবয়স্ক ১২ রোগী মারা গেছেন। তাঁদের বেশির ভাগই ছিলেন সাপে কাটা রোগী। বাকিরা নানা রোগে ভুগছিলেন।

মারা যাওয়া প্রাপ্তবয়স্ক এই রোগীদের মধ্যে পাঁচজন পুরুষ ও সাতজন নারী।
বেশ কিছু কর্মী বদলি হয়ে যাওয়ায় তাঁরা কিছুটা বেকায়দায় পড়েছেন উল্লেখ করে হাসপাতালের ডিন দাবি করেন, তহবিল–সংকটসহ ওষুধপত্রের ঘাটতি রয়েছে।

এ ঘটনাকে ‘দুর্ভাগ্যজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ধে। তিনি জানান, এ ঘটনায় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এ ঘটনায় হাসপাতালটি ঘুরে দেখেছেন রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও কংগ্রেস নেতা অশোক চ্যাবন। তিনি জানান, হাসপাতালে ভর্তি থাকা আরও ৭০ রোগীর অবস্থা জটিল। অনেক যন্ত্র কাজ করছে না। এ ছাড়া হাসপাতালটির ধারণক্ষমতা ৫০০ জনের হলেও ভর্তি আছেন ১ হাজার ২০০ রোগী। ওষুধপত্রের ঘাটতিও আছে। তিনি সরকারকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়ার দাবি জানান।

বিরোধীরা এ ঘটনায় সরকারের কঠোর সমালোচনা করেছে। তারা বলেছে, এ জন্য সরকার দায়ী।