ঢাকা ১২:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ৫ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি ::
আমাদের নিউজপোর্টালে আপনাকে স্বাগতম... সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে...

২২ বছর আগের খুনের মামলায় যাবজ্জীবন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২০:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ৮৮ বার পড়া হয়েছে

২২ বছর আগে চট্টগ্রাম নগরের বন্দর এলাকায় এক ব্যক্তিকে গুলি করে খুনের মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। তাঁর নাম নাসির উদ্দিন। আজ সোমবার জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল চট্টগ্রামের বিচারক মো. সেলিম মিয়া এই রায় দেন।

সরকারি কৌঁসুলি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আদালত আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন।
আদালত সূত্র জানায়, ২০০০ সালের ১৩ অক্টোবর নগরের বন্দর থানার নয়ার হাট নেভি হল রোডে একটি দোকানের সামনে আবু বক্করকে বিয়ার খাওয়ানোর কথা বলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাঁকে কাটা রাইফেল দিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে বন্দর থানায় মামলা করে। তদন্ত শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে পরের বছরের ১০ মে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। এতে বলা হয়, পূর্ববিরোধের জেরে আবু বক্করকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ২০০৩ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর তিন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন বিচারক। ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে আদালত এই রায় দেন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় দুজনকে খালাস দেন।
ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারী সেকান্দর আলী বলেন, রায় ঘোষণায় আদালতে হাজির ছিলেন আসামি নাসির উদ্দিন। পরে আদালতের নির্দেশে তাঁকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

২২ বছর আগের খুনের মামলায় যাবজ্জীবন

আপডেট সময় : ১০:২০:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৩

২২ বছর আগে চট্টগ্রাম নগরের বন্দর এলাকায় এক ব্যক্তিকে গুলি করে খুনের মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। তাঁর নাম নাসির উদ্দিন। আজ সোমবার জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল চট্টগ্রামের বিচারক মো. সেলিম মিয়া এই রায় দেন।

সরকারি কৌঁসুলি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আদালত আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন।
আদালত সূত্র জানায়, ২০০০ সালের ১৩ অক্টোবর নগরের বন্দর থানার নয়ার হাট নেভি হল রোডে একটি দোকানের সামনে আবু বক্করকে বিয়ার খাওয়ানোর কথা বলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাঁকে কাটা রাইফেল দিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে বন্দর থানায় মামলা করে। তদন্ত শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে পরের বছরের ১০ মে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। এতে বলা হয়, পূর্ববিরোধের জেরে আবু বক্করকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ২০০৩ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর তিন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন বিচারক। ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে আদালত এই রায় দেন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় দুজনকে খালাস দেন।
ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারী সেকান্দর আলী বলেন, রায় ঘোষণায় আদালতে হাজির ছিলেন আসামি নাসির উদ্দিন। পরে আদালতের নির্দেশে তাঁকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।