ঢাকা ১০:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ৫ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি ::
আমাদের নিউজপোর্টালে আপনাকে স্বাগতম... সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে...

হাসান আলী বললেন—পাকিস্তান খেলোয়াড়দের অসুস্থতা হোটেল কক্ষে আবদ্ধ থাকার কারণে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩১:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ অক্টোবর ২০২৩ ৫৪ বার পড়া হয়েছে

শ্বশুরবাড়ির আঙিনায় বিশ্বকাপ। পাকিস্তান দলের বাকি খেলোয়াড়দের চেয়ে এবারের বিশ্বকাপটা হাসান আলীর জন্য অন্য রকমই হতে পারত। কিন্তু শ্বশুরবাড়ি দূরে থাক, যেখানে থাকেন, সেখান থেকে ‘পাশের বাড়ি’তেই যেতে পারছেন না!

পাকিস্তান দল ভারতে থাকছে নিরাপত্তার ঘেরাটোপে বন্দী হয়ে। কোনো খেলোয়াড় বা টিম ম্যানেজমেন্টের সদস্য এখান থেকে ওখানে গেলেও সঙ্গে যায় নিরাপত্তাকর্মীদের বিরাট বহর। যদিও এটা মোটেই ভালো লাগছে না পাকিস্তানের খেলোয়াড়দের।
ম্যাচ আর অনুশীলন ছাড়া হোটেলে শুয়ে–বসে সময় কাটছে পাকিস্তান দলের সদস্যদের। পাকিস্তান খেলোয়াড়দের অনেকের অসুস্থ হয়ে পড়ার অন্যতম কারণও এটাই বলে মনে করেন হাসান আলী। সাত বছরের মধ্যে পাকিস্তানের এটি প্রথম ভারত সফর। এই দলের সদস্যদের মধ্যে শুধু মোহাম্মদ নেওয়াজেরই আছে ভারতে খেলার অভিজ্ঞতা।

অনেক বছর পর ভারতে খেলতে গিয়ে আতিথেয়তা ভালোই পাচ্ছে পাকিস্তান দল। কিন্তু নিরাপত্তার ঘেরাটোপে থেকে সেটা খুব একটা উপভোগ করতে পারছে কই! অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আজকের ম্যাচের আগে গতকালেরর সংবাদ সম্মেলনে হাসান আলী বলেছেন সেটাই।
হাসান আলীর কথা, ‘আমরা খুব একটা বাইরে যেতে পারি না। আমরা বাইরে যেতে চাইলে নিরাপত্তাকর্মীদের পুরো দল নিয়ে যেতে হয়। আতিথেয়তা দারুণ। আমাদের ভালো যত্ন নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু আমরা বাইরে যেতে পারি না। বাইরে যেতে হলে নিরাপত্তাকর্মীদের জানাতে হয়। কারণ, এখানে নিরাপত্তার বিষয়টি আছে।’

গত মঙ্গলবার জ্বরে আক্রান্ত হয়েছিলেন পাকিস্তানের ছয় খেলোয়াড় আবদুল্লাহ শফিক, শাহিন আফ্রিদি, মোহাম্মদ রিজওয়ান, আগা সালমান, মোহাম্মদ হারিস ও জামান খান। এটা নিয়ে হাসান আলী বলেছেন, ‘বেশির ভাগ খেলোয়াড়ই সেরে উঠেছে। কিন্তু আপনি যখন একটি হোটেল কক্ষে বসবাস করবেন, আপনি তো “রুম সিকনেস”–এ ভুগবেনই।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ডিবির হারুন বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে কিশোর গ্যাং সদস্যদের সঙ্গে জড়িত ৩৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছৈ। তাদের গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ওয়ারী ও গুলশান বিভাগ। গ্রেফতারদের মধ্যে বেশিরভাগ কিশোর গ্যাং সদস্যের বিরুদ্ধে থানায় মামলা রয়েছে। তিনি জানান, গ্রেফতাররা বাড্ডা, ভাটারা, তুরাগ, তিনশ ফিট ও যাত্রাবাড়ীসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় টার্গেট করা ব্যক্তিদের ইভটিজিং বা কোনো সময় ধাক্কা দেওয়ার ছলে উত্ত্যক্ত করত। এরপর তারা ঘেরাও করে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে মোবাইলফোন এবং নারীদের কাছ থেকে সোনার অলঙ্কার ছিনিয়ে নিত। এ ছাড়া তারা ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও চুরির সঙ্গে জড়িত। এসব গ্যাং সদস্য মাদক কারবারের সঙ্গেও জড়িত। ডিবি হারুন জানান, গ্রেফতার কিশোর গ্যাং সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদে কিছু কথিত বড় ভাইয়ের নাম পাওয়া গেছে। বড় ভাইদেরও গ্রেফতার করা হবে। কিশোর গ্যাং সদস্যদের বিরুদ্ধে ডিবির প্রতিটি টিম কাজ করছে।

হাসান আলী বললেন—পাকিস্তান খেলোয়াড়দের অসুস্থতা হোটেল কক্ষে আবদ্ধ থাকার কারণে

আপডেট সময় : ০৯:৩১:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ অক্টোবর ২০২৩

শ্বশুরবাড়ির আঙিনায় বিশ্বকাপ। পাকিস্তান দলের বাকি খেলোয়াড়দের চেয়ে এবারের বিশ্বকাপটা হাসান আলীর জন্য অন্য রকমই হতে পারত। কিন্তু শ্বশুরবাড়ি দূরে থাক, যেখানে থাকেন, সেখান থেকে ‘পাশের বাড়ি’তেই যেতে পারছেন না!

পাকিস্তান দল ভারতে থাকছে নিরাপত্তার ঘেরাটোপে বন্দী হয়ে। কোনো খেলোয়াড় বা টিম ম্যানেজমেন্টের সদস্য এখান থেকে ওখানে গেলেও সঙ্গে যায় নিরাপত্তাকর্মীদের বিরাট বহর। যদিও এটা মোটেই ভালো লাগছে না পাকিস্তানের খেলোয়াড়দের।
ম্যাচ আর অনুশীলন ছাড়া হোটেলে শুয়ে–বসে সময় কাটছে পাকিস্তান দলের সদস্যদের। পাকিস্তান খেলোয়াড়দের অনেকের অসুস্থ হয়ে পড়ার অন্যতম কারণও এটাই বলে মনে করেন হাসান আলী। সাত বছরের মধ্যে পাকিস্তানের এটি প্রথম ভারত সফর। এই দলের সদস্যদের মধ্যে শুধু মোহাম্মদ নেওয়াজেরই আছে ভারতে খেলার অভিজ্ঞতা।

অনেক বছর পর ভারতে খেলতে গিয়ে আতিথেয়তা ভালোই পাচ্ছে পাকিস্তান দল। কিন্তু নিরাপত্তার ঘেরাটোপে থেকে সেটা খুব একটা উপভোগ করতে পারছে কই! অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আজকের ম্যাচের আগে গতকালেরর সংবাদ সম্মেলনে হাসান আলী বলেছেন সেটাই।
হাসান আলীর কথা, ‘আমরা খুব একটা বাইরে যেতে পারি না। আমরা বাইরে যেতে চাইলে নিরাপত্তাকর্মীদের পুরো দল নিয়ে যেতে হয়। আতিথেয়তা দারুণ। আমাদের ভালো যত্ন নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু আমরা বাইরে যেতে পারি না। বাইরে যেতে হলে নিরাপত্তাকর্মীদের জানাতে হয়। কারণ, এখানে নিরাপত্তার বিষয়টি আছে।’

গত মঙ্গলবার জ্বরে আক্রান্ত হয়েছিলেন পাকিস্তানের ছয় খেলোয়াড় আবদুল্লাহ শফিক, শাহিন আফ্রিদি, মোহাম্মদ রিজওয়ান, আগা সালমান, মোহাম্মদ হারিস ও জামান খান। এটা নিয়ে হাসান আলী বলেছেন, ‘বেশির ভাগ খেলোয়াড়ই সেরে উঠেছে। কিন্তু আপনি যখন একটি হোটেল কক্ষে বসবাস করবেন, আপনি তো “রুম সিকনেস”–এ ভুগবেনই।’