ঢাকা ১০:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ৫ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি ::
আমাদের নিউজপোর্টালে আপনাকে স্বাগতম... সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে...

হাওয়াই মিঠাই খেলে ক্যানসার হয়!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:২৯:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ৪৪ বার পড়া হয়েছে

ভারতীয় কয়েকটি রাজ্য মনে করছে, গোলাপি রঙের ছোটদের মিষ্টি ট্রিট হাওয়াই মিঠাই খেলে ক্যানসার হওয়ার আশঙ্কা থাকে। সে কারণে জনপ্রিয় এ পণ্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। এ পণ্যটির কিছু নমুনা ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার পর ক্যানসার সৃষ্টিকারী উপকরণ রোডামাইন-বি রয়েছে বলে নিশ্চিত হন সংশ্লিষ্ট গবেষকরা।

এ খবরের পরই গত সপ্তাহে দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য তামিলনাড়ুতে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করেছে। বিবিসি।

চলতি মাসের শুরুতে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরিতে পণ্যটি নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। এর পরই নড়েচড়ে বসে অন্যান্য রাজ্যের প্রশাসন। ভারতের আরও কয়েকটি রাজ্য পণ্যটি পরীক্ষার উদ্যোগ নিয়েছে। পণ্যটির অবয়বের কারণে এটিকে কেউ সুতিক্যান্ডি, কেউ তুলার ক্যান্ডি কেউবা আবার স্থানীয় ভাষায় ‘বুড়ি-কা-বাল’ (বৃদ্ধ মহিলার চুল) নামে ডেকে থাকে।

চিত্তবিনোদন পার্ক, মেলা ও শিশুপরিবেষ্টিত বিভিন্ন এলাকায় এ পণ্যটি বিক্রি করেন ব্যবসায়ীরা। মুখে দিলেই মিষ্টি এ খাবার গলে যায় বলে শিশুরা এটিকে বেশি পছন্দ করে। কিছু ভারতীয় কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মিষ্টি খাবারটি যতটা মনে হচ্ছে— তারচেয়ে বেশি ক্ষতিকর ও বিপজ্জনক।

তামিলনাড়ুর চেন্নাই শহরের খাদ্য নিরাপত্তা কর্মকর্তা পি সতীশ কুমার দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে জানিয়েছেন, ‘এ খাবারে যে দূষিত পদার্থ রয়েছে, তা থেকে ক্যানসার হতে পারে। এমনটি ওই পদার্থ শরীরের যে কোনো অঙ্গের জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে।’ তিনি জানিয়েছেন, গত সপ্তাহে তারা শহরের সমুদ্রসৈকতে হাওয়াই মিঠাই বিক্রেতাদের ধরতে অভিযান চালিয়েছেন। কারণ তারা যে কারখানায় এ পণ্যটি তৈরি করেন, সেটির কোনো অনুমোদন নেই। তা ছাড়া এতে গোলাপি আভা তৈরি করতে যে রঙ ব্যবহার করা হয়, সেটি টেক্সটাইল, প্রসাধনী এবং কালি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, এ রাসায়নিকটি ক্যানসরের ঝুঁকি বাড়াতে পারে বলে ইউরোপ-আমেরিকায় এটিকে খাদ্যরঞ্জক হিসাবে ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ডিবির হারুন বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে কিশোর গ্যাং সদস্যদের সঙ্গে জড়িত ৩৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছৈ। তাদের গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ওয়ারী ও গুলশান বিভাগ। গ্রেফতারদের মধ্যে বেশিরভাগ কিশোর গ্যাং সদস্যের বিরুদ্ধে থানায় মামলা রয়েছে। তিনি জানান, গ্রেফতাররা বাড্ডা, ভাটারা, তুরাগ, তিনশ ফিট ও যাত্রাবাড়ীসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় টার্গেট করা ব্যক্তিদের ইভটিজিং বা কোনো সময় ধাক্কা দেওয়ার ছলে উত্ত্যক্ত করত। এরপর তারা ঘেরাও করে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে মোবাইলফোন এবং নারীদের কাছ থেকে সোনার অলঙ্কার ছিনিয়ে নিত। এ ছাড়া তারা ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও চুরির সঙ্গে জড়িত। এসব গ্যাং সদস্য মাদক কারবারের সঙ্গেও জড়িত। ডিবি হারুন জানান, গ্রেফতার কিশোর গ্যাং সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদে কিছু কথিত বড় ভাইয়ের নাম পাওয়া গেছে। বড় ভাইদেরও গ্রেফতার করা হবে। কিশোর গ্যাং সদস্যদের বিরুদ্ধে ডিবির প্রতিটি টিম কাজ করছে।

হাওয়াই মিঠাই খেলে ক্যানসার হয়!

আপডেট সময় : ০৪:২৯:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

ভারতীয় কয়েকটি রাজ্য মনে করছে, গোলাপি রঙের ছোটদের মিষ্টি ট্রিট হাওয়াই মিঠাই খেলে ক্যানসার হওয়ার আশঙ্কা থাকে। সে কারণে জনপ্রিয় এ পণ্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। এ পণ্যটির কিছু নমুনা ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার পর ক্যানসার সৃষ্টিকারী উপকরণ রোডামাইন-বি রয়েছে বলে নিশ্চিত হন সংশ্লিষ্ট গবেষকরা।

এ খবরের পরই গত সপ্তাহে দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য তামিলনাড়ুতে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করেছে। বিবিসি।

চলতি মাসের শুরুতে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরিতে পণ্যটি নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। এর পরই নড়েচড়ে বসে অন্যান্য রাজ্যের প্রশাসন। ভারতের আরও কয়েকটি রাজ্য পণ্যটি পরীক্ষার উদ্যোগ নিয়েছে। পণ্যটির অবয়বের কারণে এটিকে কেউ সুতিক্যান্ডি, কেউ তুলার ক্যান্ডি কেউবা আবার স্থানীয় ভাষায় ‘বুড়ি-কা-বাল’ (বৃদ্ধ মহিলার চুল) নামে ডেকে থাকে।

চিত্তবিনোদন পার্ক, মেলা ও শিশুপরিবেষ্টিত বিভিন্ন এলাকায় এ পণ্যটি বিক্রি করেন ব্যবসায়ীরা। মুখে দিলেই মিষ্টি এ খাবার গলে যায় বলে শিশুরা এটিকে বেশি পছন্দ করে। কিছু ভারতীয় কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মিষ্টি খাবারটি যতটা মনে হচ্ছে— তারচেয়ে বেশি ক্ষতিকর ও বিপজ্জনক।

তামিলনাড়ুর চেন্নাই শহরের খাদ্য নিরাপত্তা কর্মকর্তা পি সতীশ কুমার দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে জানিয়েছেন, ‘এ খাবারে যে দূষিত পদার্থ রয়েছে, তা থেকে ক্যানসার হতে পারে। এমনটি ওই পদার্থ শরীরের যে কোনো অঙ্গের জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে।’ তিনি জানিয়েছেন, গত সপ্তাহে তারা শহরের সমুদ্রসৈকতে হাওয়াই মিঠাই বিক্রেতাদের ধরতে অভিযান চালিয়েছেন। কারণ তারা যে কারখানায় এ পণ্যটি তৈরি করেন, সেটির কোনো অনুমোদন নেই। তা ছাড়া এতে গোলাপি আভা তৈরি করতে যে রঙ ব্যবহার করা হয়, সেটি টেক্সটাইল, প্রসাধনী এবং কালি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, এ রাসায়নিকটি ক্যানসরের ঝুঁকি বাড়াতে পারে বলে ইউরোপ-আমেরিকায় এটিকে খাদ্যরঞ্জক হিসাবে ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।