ঢাকা ০৭:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ৩ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি ::
আমাদের নিউজপোর্টালে আপনাকে স্বাগতম... সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে...

সিদ্ধিরগঞ্জে বিস্ফোরণে দগ্ধ চিকিৎসাধীন আরও একজনের মৃত্যু

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৪৯:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৩ ৪১ বার পড়া হয়েছে

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে স্টিল রি-রোলিং মিলে তিতাস গ্যাসের পাইপলাইনের নিয়ন্ত্রণকক্ষে বিস্ফোরণে দগ্ধ জাকারিয়া (২০) নামের এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

জাকারিয়া শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার আবদুল হাইয়ের ছেলে। এ নিয়ে বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে মোট মৃতের সংখ্যা চারজনে দাঁড়াল। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দগ্ধ ইকবালের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।
এর আগে গতকাল দুপুরে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান শরিফুল (২৬) ও মো. সাইফুল (৩০)। এর আগের দিন সোমবার বিকেলে মারা যান মো. মোজাম্মেল (৩০)।

হাসপাতালটির আবাসিক চিকিৎসক তরিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল রাতে মারা যাওয়া জাকারিয়ার শরীরের ৩৫ শতাংশ আগুনে পুড়ে গিয়েছিল। চিকিৎসাধীন অপরজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

গত শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইল সৈয়দপাড়া এলাকায় অবস্থিত শারমিন স্টিল রি-রোলিং মিল লিমিটেডে বিস্ফোরণ ঘটে। তিতাস গ্যাসের পাইপলাইনে অতিরিক্ত চাপে নিয়ন্ত্রণকক্ষে এ বিস্ফোরণ ঘটে এবং কক্ষের দেয়াল উড়ে যায়।
এতে ওই কক্ষের পাশে ঘুমিয়ে থাকা পাঁচ শ্রমিক দগ্ধ হন। খবর পেয়ে আদমজী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশনের দুটি ইউনিট পৌনে এক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। দগ্ধ ব্যক্তিদের গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। তবে সেখানে একে একে তাঁদের চারজনের মৃত্যু হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ডিবির হারুন বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে কিশোর গ্যাং সদস্যদের সঙ্গে জড়িত ৩৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছৈ। তাদের গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ওয়ারী ও গুলশান বিভাগ। গ্রেফতারদের মধ্যে বেশিরভাগ কিশোর গ্যাং সদস্যের বিরুদ্ধে থানায় মামলা রয়েছে। তিনি জানান, গ্রেফতাররা বাড্ডা, ভাটারা, তুরাগ, তিনশ ফিট ও যাত্রাবাড়ীসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় টার্গেট করা ব্যক্তিদের ইভটিজিং বা কোনো সময় ধাক্কা দেওয়ার ছলে উত্ত্যক্ত করত। এরপর তারা ঘেরাও করে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে মোবাইলফোন এবং নারীদের কাছ থেকে সোনার অলঙ্কার ছিনিয়ে নিত। এ ছাড়া তারা ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও চুরির সঙ্গে জড়িত। এসব গ্যাং সদস্য মাদক কারবারের সঙ্গেও জড়িত। ডিবি হারুন জানান, গ্রেফতার কিশোর গ্যাং সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদে কিছু কথিত বড় ভাইয়ের নাম পাওয়া গেছে। বড় ভাইদেরও গ্রেফতার করা হবে। কিশোর গ্যাং সদস্যদের বিরুদ্ধে ডিবির প্রতিটি টিম কাজ করছে।

সিদ্ধিরগঞ্জে বিস্ফোরণে দগ্ধ চিকিৎসাধীন আরও একজনের মৃত্যু

আপডেট সময় : ০২:৪৯:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৩

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে স্টিল রি-রোলিং মিলে তিতাস গ্যাসের পাইপলাইনের নিয়ন্ত্রণকক্ষে বিস্ফোরণে দগ্ধ জাকারিয়া (২০) নামের এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

জাকারিয়া শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার আবদুল হাইয়ের ছেলে। এ নিয়ে বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে মোট মৃতের সংখ্যা চারজনে দাঁড়াল। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দগ্ধ ইকবালের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।
এর আগে গতকাল দুপুরে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান শরিফুল (২৬) ও মো. সাইফুল (৩০)। এর আগের দিন সোমবার বিকেলে মারা যান মো. মোজাম্মেল (৩০)।

হাসপাতালটির আবাসিক চিকিৎসক তরিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল রাতে মারা যাওয়া জাকারিয়ার শরীরের ৩৫ শতাংশ আগুনে পুড়ে গিয়েছিল। চিকিৎসাধীন অপরজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

গত শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইল সৈয়দপাড়া এলাকায় অবস্থিত শারমিন স্টিল রি-রোলিং মিল লিমিটেডে বিস্ফোরণ ঘটে। তিতাস গ্যাসের পাইপলাইনে অতিরিক্ত চাপে নিয়ন্ত্রণকক্ষে এ বিস্ফোরণ ঘটে এবং কক্ষের দেয়াল উড়ে যায়।
এতে ওই কক্ষের পাশে ঘুমিয়ে থাকা পাঁচ শ্রমিক দগ্ধ হন। খবর পেয়ে আদমজী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশনের দুটি ইউনিট পৌনে এক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। দগ্ধ ব্যক্তিদের গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। তবে সেখানে একে একে তাঁদের চারজনের মৃত্যু হয়েছে।