ঢাকা ০২:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি ::
আমাদের নিউজপোর্টালে আপনাকে স্বাগতম... সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে...

সাভার ও ধামরাইয়ে বিএনপির ১০ নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার, আটক ৩০

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:২৬:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৩ ৫৯ বার পড়া হয়েছে

সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে ঢাকায় বিএনপির সমাবেশ কেন্দ্র করে ঢাকার সাভার ও ধামরাই উপজেলায় ১০ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ছাড়া সাভার ও ধামরাই উপজেলার বিভিন্ন স্থানে তল্লাশিচৌকি বসিয়ে অন্তত ৩০ নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ। সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশের দাবি, যাঁদের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে, তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া সন্দেহভাজন কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।
বিএনপির নেতা-কর্মীরা অভিযোগ করে বলেন, বুধবার ঢাকায় বর্তমান সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে বিএনপির সমাবেশ কেন্দ্র করে মঙ্গলবার দিবাগত রাত থেকে সাভার ও ধামরাই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে ধামরাইয়ের বিভিন্ন এলাকা থেকে বালিয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি নাসির উদ্দিনসহ নয়জন বিএনপির নেতা-কর্মীকে আটক করে ধামরাই থানা–পুলিশ। এ ছাড়া আশুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মুক্তার মণ্ডলকে আটক করে আশুলিয়া থানা–পুলিশ। বুধবার দুপুরে তাঁদের আশুলিয়া ও ধামরাই থানায় আগের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এ ছাড়া সাভারের আমিনবাজার ২৫ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের সামনে তল্লাশিচৌকি বসিয়ে মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আতাউর রহমান আতাসহ চারজনকে আটক করে সাভার মডেল থানা–পুলিশ। এ ছাড়া আশুলিয়া থেকে ২৬ জনকে আটক করে আশুলিয়া থানার পুলিশ।

ধামরাই উপজেলা বিএনপির সভাপতি তমিজ
বলেন, ‘উদ্দেশ্যমূলকভাবে রাতের আঁধারে ধামরাইয়ের বিভিন্ন এলাকা থেকে আমাদের নেতা-কর্মীদের আটক ও গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। আমরা এ ধরনের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।’
মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এস এ জিন্নাহ কবীর বলেন, ‘সমাবেশে অংশ নিতে মানিকগঞ্জের সাতটি উপজেলা থেকে নেতা-কর্মীদের বহনকারী একাধিক বাস, মাইক্রোবাস সাভার ও ধামরাইয়ে পুলিশ আটকে দিয়েছে। আমিনবাজারে মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আতাউর রহমানকে বহনকারী মাইক্রোবাস (হায়েস) থামিয়ে তাঁকেসহ কয়েকজন কর্মীকে আটক করে সাভার মডেল থানার পুলিশ। পরে তাঁকে অহেতুক, মিথ্যা, অযৌক্তিকভাবে মামলার আসামি করা হচ্ছে বলে শুনেছি। মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণের এ ধরনের নিকৃষ্টতম পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।’

আশুলিয়া থানায় ২৬ জনের আটকের বিষয়ে থানার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বুধবার রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো তথ্য দিতে রাজি হননি। তবে থানা–সংশ্লিষ্ট একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র ২৬ জনের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
ধামরাই থানার পরিদর্শক (অপারেশন) নির্মল কুমার দাশ বলেন, মঙ্গলবার রাতের বিভিন্ন সময়ে ধামরাইয়ের বিভিন্ন এলাকা থেকে নয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের আগের আশুলিয়া ও ধামরাই থানায় গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়ের করা পৃথক দুটি মামলার আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়।

বুধবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দীপক চন্দ্র সাহা প্রথম আলোকে বলেন, কয়েকজনকে আটকের পরপরই জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে আতাউর রহমান নামের একজন আটক রয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সাভার ও ধামরাইয়ে বিএনপির ১০ নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার, আটক ৩০

আপডেট সময় : ০৮:২৬:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৩

সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে ঢাকায় বিএনপির সমাবেশ কেন্দ্র করে ঢাকার সাভার ও ধামরাই উপজেলায় ১০ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ছাড়া সাভার ও ধামরাই উপজেলার বিভিন্ন স্থানে তল্লাশিচৌকি বসিয়ে অন্তত ৩০ নেতা-কর্মীকে আটক করে পুলিশ। সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশের দাবি, যাঁদের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে, তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া সন্দেহভাজন কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।
বিএনপির নেতা-কর্মীরা অভিযোগ করে বলেন, বুধবার ঢাকায় বর্তমান সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে বিএনপির সমাবেশ কেন্দ্র করে মঙ্গলবার দিবাগত রাত থেকে সাভার ও ধামরাই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে ধামরাইয়ের বিভিন্ন এলাকা থেকে বালিয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি নাসির উদ্দিনসহ নয়জন বিএনপির নেতা-কর্মীকে আটক করে ধামরাই থানা–পুলিশ। এ ছাড়া আশুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মুক্তার মণ্ডলকে আটক করে আশুলিয়া থানা–পুলিশ। বুধবার দুপুরে তাঁদের আশুলিয়া ও ধামরাই থানায় আগের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এ ছাড়া সাভারের আমিনবাজার ২৫ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের সামনে তল্লাশিচৌকি বসিয়ে মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আতাউর রহমান আতাসহ চারজনকে আটক করে সাভার মডেল থানা–পুলিশ। এ ছাড়া আশুলিয়া থেকে ২৬ জনকে আটক করে আশুলিয়া থানার পুলিশ।

ধামরাই উপজেলা বিএনপির সভাপতি তমিজ
বলেন, ‘উদ্দেশ্যমূলকভাবে রাতের আঁধারে ধামরাইয়ের বিভিন্ন এলাকা থেকে আমাদের নেতা-কর্মীদের আটক ও গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। আমরা এ ধরনের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।’
মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এস এ জিন্নাহ কবীর বলেন, ‘সমাবেশে অংশ নিতে মানিকগঞ্জের সাতটি উপজেলা থেকে নেতা-কর্মীদের বহনকারী একাধিক বাস, মাইক্রোবাস সাভার ও ধামরাইয়ে পুলিশ আটকে দিয়েছে। আমিনবাজারে মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আতাউর রহমানকে বহনকারী মাইক্রোবাস (হায়েস) থামিয়ে তাঁকেসহ কয়েকজন কর্মীকে আটক করে সাভার মডেল থানার পুলিশ। পরে তাঁকে অহেতুক, মিথ্যা, অযৌক্তিকভাবে মামলার আসামি করা হচ্ছে বলে শুনেছি। মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণের এ ধরনের নিকৃষ্টতম পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।’

আশুলিয়া থানায় ২৬ জনের আটকের বিষয়ে থানার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বুধবার রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো তথ্য দিতে রাজি হননি। তবে থানা–সংশ্লিষ্ট একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র ২৬ জনের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
ধামরাই থানার পরিদর্শক (অপারেশন) নির্মল কুমার দাশ বলেন, মঙ্গলবার রাতের বিভিন্ন সময়ে ধামরাইয়ের বিভিন্ন এলাকা থেকে নয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের আগের আশুলিয়া ও ধামরাই থানায় গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়ের করা পৃথক দুটি মামলার আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়।

বুধবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দীপক চন্দ্র সাহা প্রথম আলোকে বলেন, কয়েকজনকে আটকের পরপরই জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে আতাউর রহমান নামের একজন আটক রয়েছেন।