ঢাকা ০১:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ৫ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি ::
আমাদের নিউজপোর্টালে আপনাকে স্বাগতম... সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে...

‘সাবেক আইজিপি বা সেনাপ্রধান দোষী হলে সরকার বাঁচাতে যাবে না’

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪ ১৭ বার পড়া হয়েছে

সাবেক আইজিপি বা সেনাপ্রধান দোষী হলে সরকার বাঁচাতে যাবে না – আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্য নিয়ে প্রধান শিরোনাম দৈনিক সংবাদের। এতে বলা হয় আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিচার বিভাগ ও দুদক স্বাধীন। সেখানে কেউ দোষী সাব্যস্ত হলে আমরা তাকে প্রটেক্ট (রক্ষা) করতে যাব না, সে সাবেক আইজিপি বা সেনাপ্রধান হলেও।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিষয়টি দেখতে হবে, অপরাধী যত প্রভাবশালী হোক, প্রশ্ন থেকে যায় সরকার অপরাধের শাস্তি পাওয়ার ব্যাপারে সৎ সাহস দেখিয়েছে কিনা। শেখ হাসিনা সরকারের সে সৎ সাহস আছে।

কী আছে দুই পরাক্রমশালীর ভাগ্যে? বেনজীর আহমেদ ও সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদকে নিয়ে এই শিরোনাম মানবজমিনের। র‍্যাব ও পুলিশের সাবেক বস স্মার্ট, সুদর্শন বেনজীর আহমেদ। কথাও বলতেন সুন্দর। কিন্তু ‘বন্দুকের ভাষায়।’ বৃহস্পতিবার দিনটি সম্ভবত তার জন্য কিছুটা বিস্ময় নিয়েই এসেছে। যদিও খবরটি চাউর হয়েছে একটু দেরিতে। রাত ন’টার কিছু আগে বেসরকারি টিভি চ্যানেল-২৪ খবরটি ব্রেক করে। বিষয়টি এরইমধ্যে সবার জানা। বেনজীর আহমেদের সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ফ্রিজ করতে বলা হয়েছে পরিবারের ব্যাংক অ্যাকাউন্টও।

এর আগে মঙ্গলবার সকাল হয়তো কাছাকাছি অনুভূতি নিয়েই হাজির হয় সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদের কাছে। ডনাল্ড লু’র সফরে একধরনের হৃদ্যতার আবহ তৈরি হয়। কিন্তু তা কেটে যায় দ্রুতই। যখন জানা যায়, আজিজ আহমেদ ও তার পরিবারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

এসব ব্যাপারে শুক্রবারও সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘অপরাধ করে কেউ পার পাবে না। বিচার বিভাগ স্বাধীন, দুদক স্বাধীন। সেখানে যদি অপরাধী হিসেবে সাব্যস্ত হয় কেউ, আমরা তাকে প্রোটেকশন দিতে যাব কেন? তিনি সাবেক আইজিপি হোন আর সাবেক সেনাপ্রধান হোন।’

এ নিয়ে যুগান্তরের শিরোনাম – জব্দের আওতায় আসতে পারে বেনজীরের আরও সম্পদ। পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের আরও সম্পদ জব্দের আওতায় আসছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধানে নতুন করে তাদের আরও সম্পদের তথ্য সংগ্রহের পরে সেগুলোও জব্দের আওতায় আসবে। দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান এ তথ্য জানিয়ে বলেন, অনুসন্ধান মাত্র শুরু। আরও অনেক তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হবে।

এদিকে, সম্পদ ও ব্যাংক হিসাব জব্দের বিষয়ে বেনজীর আহমেদের ব্যাখ্যা রয়েছে। শিগগির তারা আদালতকে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা জানাবেন বলে যুগান্তরকে জানিয়েছেন তার আইনজীবী শাহ মনজুরুল হক। একই সঙ্গে এ আদেশ স্থগিতের আবেদন করবেন বলে জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

‘সাবেক আইজিপি বা সেনাপ্রধান দোষী হলে সরকার বাঁচাতে যাবে না’

আপডেট সময় : ০৯:১৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪

সাবেক আইজিপি বা সেনাপ্রধান দোষী হলে সরকার বাঁচাতে যাবে না – আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্য নিয়ে প্রধান শিরোনাম দৈনিক সংবাদের। এতে বলা হয় আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিচার বিভাগ ও দুদক স্বাধীন। সেখানে কেউ দোষী সাব্যস্ত হলে আমরা তাকে প্রটেক্ট (রক্ষা) করতে যাব না, সে সাবেক আইজিপি বা সেনাপ্রধান হলেও।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিষয়টি দেখতে হবে, অপরাধী যত প্রভাবশালী হোক, প্রশ্ন থেকে যায় সরকার অপরাধের শাস্তি পাওয়ার ব্যাপারে সৎ সাহস দেখিয়েছে কিনা। শেখ হাসিনা সরকারের সে সৎ সাহস আছে।

কী আছে দুই পরাক্রমশালীর ভাগ্যে? বেনজীর আহমেদ ও সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদকে নিয়ে এই শিরোনাম মানবজমিনের। র‍্যাব ও পুলিশের সাবেক বস স্মার্ট, সুদর্শন বেনজীর আহমেদ। কথাও বলতেন সুন্দর। কিন্তু ‘বন্দুকের ভাষায়।’ বৃহস্পতিবার দিনটি সম্ভবত তার জন্য কিছুটা বিস্ময় নিয়েই এসেছে। যদিও খবরটি চাউর হয়েছে একটু দেরিতে। রাত ন’টার কিছু আগে বেসরকারি টিভি চ্যানেল-২৪ খবরটি ব্রেক করে। বিষয়টি এরইমধ্যে সবার জানা। বেনজীর আহমেদের সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ফ্রিজ করতে বলা হয়েছে পরিবারের ব্যাংক অ্যাকাউন্টও।

এর আগে মঙ্গলবার সকাল হয়তো কাছাকাছি অনুভূতি নিয়েই হাজির হয় সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদের কাছে। ডনাল্ড লু’র সফরে একধরনের হৃদ্যতার আবহ তৈরি হয়। কিন্তু তা কেটে যায় দ্রুতই। যখন জানা যায়, আজিজ আহমেদ ও তার পরিবারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

এসব ব্যাপারে শুক্রবারও সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘অপরাধ করে কেউ পার পাবে না। বিচার বিভাগ স্বাধীন, দুদক স্বাধীন। সেখানে যদি অপরাধী হিসেবে সাব্যস্ত হয় কেউ, আমরা তাকে প্রোটেকশন দিতে যাব কেন? তিনি সাবেক আইজিপি হোন আর সাবেক সেনাপ্রধান হোন।’

এ নিয়ে যুগান্তরের শিরোনাম – জব্দের আওতায় আসতে পারে বেনজীরের আরও সম্পদ। পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের আরও সম্পদ জব্দের আওতায় আসছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধানে নতুন করে তাদের আরও সম্পদের তথ্য সংগ্রহের পরে সেগুলোও জব্দের আওতায় আসবে। দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান এ তথ্য জানিয়ে বলেন, অনুসন্ধান মাত্র শুরু। আরও অনেক তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হবে।

এদিকে, সম্পদ ও ব্যাংক হিসাব জব্দের বিষয়ে বেনজীর আহমেদের ব্যাখ্যা রয়েছে। শিগগির তারা আদালতকে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা জানাবেন বলে যুগান্তরকে জানিয়েছেন তার আইনজীবী শাহ মনজুরুল হক। একই সঙ্গে এ আদেশ স্থগিতের আবেদন করবেন বলে জানান তিনি।