ঢাকা ১২:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ৫ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি ::
আমাদের নিউজপোর্টালে আপনাকে স্বাগতম... সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে...

যৌন হয়রানি: ভিকারুননিসার শিক্ষক গ্রেপ্তার, জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪২:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ৪৮ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি ক্যাম্পাসের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক মোহাম্মদ মুরাদ হোসেন সরকারকে যৌন হয়রানির মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

লালবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাঈদ ইবনে সিদ্দিক প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল সোমবার দিবাগত রাতে মুরাদ হোসেনকে কলাবাগানের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ পরিদর্শক সাঈদ ইবনে সিদ্দিক আরও বলেন, গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির এক শিক্ষার্থীর মা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১০ ধারায় মুরাদ হোসেনের বিরুদ্ধে লালবাগ থানায় মামলা করেন। ধারাটি মূলত শ্লীলতাহানি-সংক্রান্ত। এই মামলায় মুরাদ হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁকে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
ছাত্রীদের যৌন হয়রানি করার অভিযোগে মুরাদ হোসেনকে গতকাল রাতে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উচ্চতর তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। গতকাল কলেজের পরিচালনা কমিটির এক সভায় এসব সিদ্ধান্ত হয়। ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কেকা রায় চৌধুরী এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত শনিবার অভিযুক্ত শিক্ষককে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির ওই ক্যাম্পাস থেকে প্রত্যাহার করে অধ্যক্ষের কার্যালয়ে যুক্ত করা হয়েছিল।

গত শনিবার অভিযুক্ত ওই শিক্ষককে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির ওই ক্যাম্পাস (আজিমপুর শাখা) থেকে প্রত্যাহার করে অধ্যক্ষের কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছিল। সংযুক্ত করার বিষয়ে অফিস আদেশে বলা হয়েছিল, ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের প্রাথমিকভাবে সত্যতা পাওয়া গেছে।
অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে আসছেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির ছাত্রী ও অভিভাবকেরা। এ দাবিতে ছাত্রীরা গত রোববার আজিমপুর ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করে। একই দিনে অভিভাবকেরা সংবাদ সম্মেলন করে অভিযুক্ত শিক্ষকের শাস্তি দাবি করেন।

অভিভাবক ও ছাত্রীদের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, অভিযুক্ত ওই শিক্ষক কোচিংয়ে পড়ানোর সময় ছাত্রীদের যৌন হয়রানি করতেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ডিবির হারুন বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে কিশোর গ্যাং সদস্যদের সঙ্গে জড়িত ৩৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছৈ। তাদের গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ওয়ারী ও গুলশান বিভাগ। গ্রেফতারদের মধ্যে বেশিরভাগ কিশোর গ্যাং সদস্যের বিরুদ্ধে থানায় মামলা রয়েছে। তিনি জানান, গ্রেফতাররা বাড্ডা, ভাটারা, তুরাগ, তিনশ ফিট ও যাত্রাবাড়ীসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় টার্গেট করা ব্যক্তিদের ইভটিজিং বা কোনো সময় ধাক্কা দেওয়ার ছলে উত্ত্যক্ত করত। এরপর তারা ঘেরাও করে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে মোবাইলফোন এবং নারীদের কাছ থেকে সোনার অলঙ্কার ছিনিয়ে নিত। এ ছাড়া তারা ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও চুরির সঙ্গে জড়িত। এসব গ্যাং সদস্য মাদক কারবারের সঙ্গেও জড়িত। ডিবি হারুন জানান, গ্রেফতার কিশোর গ্যাং সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদে কিছু কথিত বড় ভাইয়ের নাম পাওয়া গেছে। বড় ভাইদেরও গ্রেফতার করা হবে। কিশোর গ্যাং সদস্যদের বিরুদ্ধে ডিবির প্রতিটি টিম কাজ করছে।

যৌন হয়রানি: ভিকারুননিসার শিক্ষক গ্রেপ্তার, জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ

আপডেট সময় : ১০:৪২:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি ক্যাম্পাসের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক মোহাম্মদ মুরাদ হোসেন সরকারকে যৌন হয়রানির মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

লালবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাঈদ ইবনে সিদ্দিক প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল সোমবার দিবাগত রাতে মুরাদ হোসেনকে কলাবাগানের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ পরিদর্শক সাঈদ ইবনে সিদ্দিক আরও বলেন, গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির এক শিক্ষার্থীর মা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১০ ধারায় মুরাদ হোসেনের বিরুদ্ধে লালবাগ থানায় মামলা করেন। ধারাটি মূলত শ্লীলতাহানি-সংক্রান্ত। এই মামলায় মুরাদ হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁকে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
ছাত্রীদের যৌন হয়রানি করার অভিযোগে মুরাদ হোসেনকে গতকাল রাতে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উচ্চতর তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। গতকাল কলেজের পরিচালনা কমিটির এক সভায় এসব সিদ্ধান্ত হয়। ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কেকা রায় চৌধুরী এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত শনিবার অভিযুক্ত শিক্ষককে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির ওই ক্যাম্পাস থেকে প্রত্যাহার করে অধ্যক্ষের কার্যালয়ে যুক্ত করা হয়েছিল।

গত শনিবার অভিযুক্ত ওই শিক্ষককে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির ওই ক্যাম্পাস (আজিমপুর শাখা) থেকে প্রত্যাহার করে অধ্যক্ষের কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছিল। সংযুক্ত করার বিষয়ে অফিস আদেশে বলা হয়েছিল, ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের প্রাথমিকভাবে সত্যতা পাওয়া গেছে।
অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে আসছেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির ছাত্রী ও অভিভাবকেরা। এ দাবিতে ছাত্রীরা গত রোববার আজিমপুর ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করে। একই দিনে অভিভাবকেরা সংবাদ সম্মেলন করে অভিযুক্ত শিক্ষকের শাস্তি দাবি করেন।

অভিভাবক ও ছাত্রীদের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, অভিযুক্ত ওই শিক্ষক কোচিংয়ে পড়ানোর সময় ছাত্রীদের যৌন হয়রানি করতেন।