ঢাকা ০৮:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ৩ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি ::
আমাদের নিউজপোর্টালে আপনাকে স্বাগতম... সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে...

যমুনা নদীর ভাঙনরোধে ১০ কোটি ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫২:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ৪৪ বার পড়া হয়েছে

যমুনা নদীর তীর রক্ষা, নদীর নাব্যতা বৃদ্ধি ও নদীতীরবর্তী মানুষের জীবন–জীবিকা রক্ষায় বাংলাদেশকে ১০ কোটি ২০ লাখ ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। ডলারের বর্তমান বিনিময় মূল্য ১০৯ টাকা ৫০ পয়সা ধরে হিসাব করলে বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১ হাজার ১১৭ কোটি টাকা। আজ বুধবার বিশ্বব্যাংক এ ঋণ অনুমোদন করেছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে সংস্থাটি।

বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, যমুনা নদীর টেকসই ব্যবস্থাপনা প্রকল্পে এ অর্থসহায়তা দেবে সংস্থাটি। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে তাতে যমুনা নদীর নাব্যতা বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে বছরজুড়ে বড় জাহাজ চলাচল করতে পারবে। সেই সঙ্গে অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন পুনরুজ্জীবিত হবে, যা আঞ্চলিক যোগাযোগ ও বাণিজ্যে নতুন গতি সঞ্চার করবে। প্রকল্পটির সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রায় আড়াই হেক্টর জমি নদীভাঙন ও বন্যা থেকে রক্ষা পাবে।

যমুনা নদীর টেকসই ব্যবস্থাপনা প্রকল্পে অর্থায়ন বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশের প্রধান আবদৌলায়ে সেক বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, যমুনা নদী বিশ্বের বৃহত্তম ও গতিশীল নদীগুলোর একটি। এ নদীকে ঘিরে লক্ষাধিক মানুষের জীবন-জীবিকা আবর্তিত হয়। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে নদীভাঙনের কবলে পড়ে প্রতিবছর হাজার হাজার মানুষ স্থানচ্যুত হয়। তাতে তারা দারিদ্র্যতার কবলে পড়েন। তাই যমুনা নদীর টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল ব্যবস্থাপনা দেশ ও দেশের মানুষের জন্য অর্থনৈতিক সুবিধা বয়ে আনবে।
বিশ্বব্যাংক বলছে, এ ধরনের প্রকল্প বাংলাদেশে এটিই প্রথম। প্রকল্পটি ফুলছড়ি, গাইবান্ধা ও কালিহাতী এলাকায় বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পটির মাধ্যমে উপকৃত হবে এক লাখ মানুষ। পাশাপাশি নদীপথে যাতায়াতে আগ্রহী মানুষকে নিরাপদ ও সাশ্রয়ী পরিবহনের সুযোগ তৈরি করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ডিবির হারুন বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে কিশোর গ্যাং সদস্যদের সঙ্গে জড়িত ৩৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছৈ। তাদের গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ওয়ারী ও গুলশান বিভাগ। গ্রেফতারদের মধ্যে বেশিরভাগ কিশোর গ্যাং সদস্যের বিরুদ্ধে থানায় মামলা রয়েছে। তিনি জানান, গ্রেফতাররা বাড্ডা, ভাটারা, তুরাগ, তিনশ ফিট ও যাত্রাবাড়ীসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় টার্গেট করা ব্যক্তিদের ইভটিজিং বা কোনো সময় ধাক্কা দেওয়ার ছলে উত্ত্যক্ত করত। এরপর তারা ঘেরাও করে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে মোবাইলফোন এবং নারীদের কাছ থেকে সোনার অলঙ্কার ছিনিয়ে নিত। এ ছাড়া তারা ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও চুরির সঙ্গে জড়িত। এসব গ্যাং সদস্য মাদক কারবারের সঙ্গেও জড়িত। ডিবি হারুন জানান, গ্রেফতার কিশোর গ্যাং সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদে কিছু কথিত বড় ভাইয়ের নাম পাওয়া গেছে। বড় ভাইদেরও গ্রেফতার করা হবে। কিশোর গ্যাং সদস্যদের বিরুদ্ধে ডিবির প্রতিটি টিম কাজ করছে।

যমুনা নদীর ভাঙনরোধে ১০ কোটি ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক

আপডেট সময় : ০৩:৫২:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩

যমুনা নদীর তীর রক্ষা, নদীর নাব্যতা বৃদ্ধি ও নদীতীরবর্তী মানুষের জীবন–জীবিকা রক্ষায় বাংলাদেশকে ১০ কোটি ২০ লাখ ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। ডলারের বর্তমান বিনিময় মূল্য ১০৯ টাকা ৫০ পয়সা ধরে হিসাব করলে বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১ হাজার ১১৭ কোটি টাকা। আজ বুধবার বিশ্বব্যাংক এ ঋণ অনুমোদন করেছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে সংস্থাটি।

বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, যমুনা নদীর টেকসই ব্যবস্থাপনা প্রকল্পে এ অর্থসহায়তা দেবে সংস্থাটি। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে তাতে যমুনা নদীর নাব্যতা বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে বছরজুড়ে বড় জাহাজ চলাচল করতে পারবে। সেই সঙ্গে অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন পুনরুজ্জীবিত হবে, যা আঞ্চলিক যোগাযোগ ও বাণিজ্যে নতুন গতি সঞ্চার করবে। প্রকল্পটির সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রায় আড়াই হেক্টর জমি নদীভাঙন ও বন্যা থেকে রক্ষা পাবে।

যমুনা নদীর টেকসই ব্যবস্থাপনা প্রকল্পে অর্থায়ন বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশের প্রধান আবদৌলায়ে সেক বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, যমুনা নদী বিশ্বের বৃহত্তম ও গতিশীল নদীগুলোর একটি। এ নদীকে ঘিরে লক্ষাধিক মানুষের জীবন-জীবিকা আবর্তিত হয়। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে নদীভাঙনের কবলে পড়ে প্রতিবছর হাজার হাজার মানুষ স্থানচ্যুত হয়। তাতে তারা দারিদ্র্যতার কবলে পড়েন। তাই যমুনা নদীর টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল ব্যবস্থাপনা দেশ ও দেশের মানুষের জন্য অর্থনৈতিক সুবিধা বয়ে আনবে।
বিশ্বব্যাংক বলছে, এ ধরনের প্রকল্প বাংলাদেশে এটিই প্রথম। প্রকল্পটি ফুলছড়ি, গাইবান্ধা ও কালিহাতী এলাকায় বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পটির মাধ্যমে উপকৃত হবে এক লাখ মানুষ। পাশাপাশি নদীপথে যাতায়াতে আগ্রহী মানুষকে নিরাপদ ও সাশ্রয়ী পরিবহনের সুযোগ তৈরি করবে।