ঢাকা ০১:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ৫ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি ::
আমাদের নিউজপোর্টালে আপনাকে স্বাগতম... সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে...

মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে নাইট্রোজেন গ্যাসের ব্যবহার কেন? যেসব দেশে এখনও মৃত্যুদণ্ডের বিধান আছে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:২৪:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৪ ৪২ বার পড়া হয়েছে

প্রথমবারের মতো নাইট্রোজেন গ্যাস ব্যবহার করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দোষী সাব্যস্ত হওয়া এক খুনির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।

এছাড়াও জাপানি এক ব্যক্তিকেও ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আগুন জ্বালিয়ে ৩৬ জনকে হত্যার ঘটনায় তাকে এই শাস্তি দেয়া হয়।

অনেক দেশ মৃত্যুদণ্ডের বিধান বাতিল করলেও বিশ্বব্যাপী এই সর্বোচ্চ শাস্তি কার্যকরের সংখ্যা বাড়ছে।

যে কারণে নাইট্রোজেন গ্যাস ব্যবহার করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর
শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের আলাবামাতে কেনেথ ইউজিন স্মিথ নামে এক ব্যক্তিকে প্রথমবারের মতো নাইট্রোজেন গ্যাস ব্যবহার করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।

এর আগে, ২০২২ সালের নভেম্বরে প্রাণনাশক ইনজেকশনের মাধ্যমে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সিদ্ধান্ত হয়।

তবে দুই শিরায় ইনজেকশন দেয়ার কথা থাকলেও কারাগারের লোকজন একটি শিরায় সেটি প্রয়োগ করে।

আরেকটি ইনজেকশন দেয়ার ঘণ্টাব্যাপী প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে পরে তা বন্ধ করা হয়।

শেষ পর্যন্ত নাইট্রোজেন গ্যাস দিয়ে সেই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।
১৯৮৮ সালে একজন যাজকের স্ত্রীকে হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেয় আদালত।

মি. স্মিথের আইনজীবীরা অপরীক্ষিত এই পদ্ধতিকে “নিষ্ঠুর এবং অস্বাভাবিক” শাস্তি বলে আখ্যায়িত করেছেন।

আলাবামাসহ দেশটির আরও দুইটি রাজ্য মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে নাইট্রোজেন ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে।

সাধারণত এক্ষেত্রে যে প্রাণনাশক ওষুধ ইনজেকশনে ব্যবহার করা হয় সেগুলো পাওয়া কঠিন হয়ে যাওয়ায় এই গ্যাস ব্যবহারের অনুমতি দেয়া হয়েছে।

প্রাণনাশক ওষুধের ঘাটতি যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হ্রাসে ভূমিকা রেখেছে।

নাইট্রোজেন গ্যাস দিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা নিয়ে অনেক সমালোচনা রয়েছে। তবে এবারই প্রথম এই পদ্ধতির ব্যবহার করা হলো।

যদিও সময়ের সঙ্গে শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড প্রথার জনপ্রিয়তা ক্রমাগত কমছেই, তবু এর ফলে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার মাধ্যম হিসেবে নতুন একটি পথ তৈরি হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে নাইট্রোজেন গ্যাসের ব্যবহার কেন? যেসব দেশে এখনও মৃত্যুদণ্ডের বিধান আছে

আপডেট সময় : ০৭:২৪:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৪

প্রথমবারের মতো নাইট্রোজেন গ্যাস ব্যবহার করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দোষী সাব্যস্ত হওয়া এক খুনির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।

এছাড়াও জাপানি এক ব্যক্তিকেও ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আগুন জ্বালিয়ে ৩৬ জনকে হত্যার ঘটনায় তাকে এই শাস্তি দেয়া হয়।

অনেক দেশ মৃত্যুদণ্ডের বিধান বাতিল করলেও বিশ্বব্যাপী এই সর্বোচ্চ শাস্তি কার্যকরের সংখ্যা বাড়ছে।

যে কারণে নাইট্রোজেন গ্যাস ব্যবহার করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর
শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের আলাবামাতে কেনেথ ইউজিন স্মিথ নামে এক ব্যক্তিকে প্রথমবারের মতো নাইট্রোজেন গ্যাস ব্যবহার করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।

এর আগে, ২০২২ সালের নভেম্বরে প্রাণনাশক ইনজেকশনের মাধ্যমে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সিদ্ধান্ত হয়।

তবে দুই শিরায় ইনজেকশন দেয়ার কথা থাকলেও কারাগারের লোকজন একটি শিরায় সেটি প্রয়োগ করে।

আরেকটি ইনজেকশন দেয়ার ঘণ্টাব্যাপী প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে পরে তা বন্ধ করা হয়।

শেষ পর্যন্ত নাইট্রোজেন গ্যাস দিয়ে সেই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।
১৯৮৮ সালে একজন যাজকের স্ত্রীকে হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেয় আদালত।

মি. স্মিথের আইনজীবীরা অপরীক্ষিত এই পদ্ধতিকে “নিষ্ঠুর এবং অস্বাভাবিক” শাস্তি বলে আখ্যায়িত করেছেন।

আলাবামাসহ দেশটির আরও দুইটি রাজ্য মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে নাইট্রোজেন ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে।

সাধারণত এক্ষেত্রে যে প্রাণনাশক ওষুধ ইনজেকশনে ব্যবহার করা হয় সেগুলো পাওয়া কঠিন হয়ে যাওয়ায় এই গ্যাস ব্যবহারের অনুমতি দেয়া হয়েছে।

প্রাণনাশক ওষুধের ঘাটতি যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হ্রাসে ভূমিকা রেখেছে।

নাইট্রোজেন গ্যাস দিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা নিয়ে অনেক সমালোচনা রয়েছে। তবে এবারই প্রথম এই পদ্ধতির ব্যবহার করা হলো।

যদিও সময়ের সঙ্গে শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড প্রথার জনপ্রিয়তা ক্রমাগত কমছেই, তবু এর ফলে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার মাধ্যম হিসেবে নতুন একটি পথ তৈরি হয়েছে।