ঢাকা ০৭:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ৩ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি ::
আমাদের নিউজপোর্টালে আপনাকে স্বাগতম... সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে...

মুঠোফোনে নজরদারির প্রযুক্তি নিয়ে বাম জোটের উদ্বেগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১২:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ অক্টোবর ২০২৩ ৪২ বার পড়া হয়েছে

গণতন্ত্রকামী মানুষকে দমন করতে নজরদারির উচ্চ প্রযুক্তি আমদানি, গোপন পুলিশ ও জেল-জুলুমকে হাতিয়ার করে সরকার হিটলারের ‘গেস্টাপো’ বাহিনীর মতো প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে বাম গণতান্ত্রিক জোট। জোটের নেতারা বলছেন, জেল-জুলুমকে হাতিয়ার করে অতীতে কোনো স্বৈরশাসক চিরস্থায়ী হতে পারেনি। বাংলাদেশের মানুষ গণ–অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবে।
শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টন মোড়ে পদযাত্রা–পূর্ব সমাবেশে বাম গণতান্ত্রিক জোটের নেতারা এসব কথা বলেন। নির্দলীয় তদারকি সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি কমানো এবং দুর্নীতি লুটপাট ও টাকা পাচারে বাজার সিন্ডিকেটের হোতাদের গ্রেপ্তারের দাবিতে পদযাত্রা করে বাম গণতান্ত্রিক জোট। পল্টন মোড় থেকে বিজয়নগর হয়ে বক্স কালভার্ট সড়ক পর্যন্ত এই পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।

বাম গণতান্ত্রিক জোট ঢাকা মহানগরের সমন্বয়ক তৈমুর খানের সভাপতিত্বে ও সিপিবি ঢাকা দক্ষিণ কমিটির সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য সাইফুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য দেন জোটের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক ও বাংলাদেশের বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবীর, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) ঢাকা মহানগর দক্ষিণ কমিটির সাধারণ সম্পাদক জলি তালুকদার, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সাজেদুল হক, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) ঢাকা মহানগরের সমন্বয়ক জুলফিকার আলী প্রমুখ।
সরকারের ‘সমন্বিত নজরদারি’ প্রযুক্তি আমদানির কথা উল্লেখ করে সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষকে দমন–নির্মূল করতে ফ্রান্সসহ যারা এসব প্রযুক্তি বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন সরকারের হাতে তুলে দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে বিশ্ব জনমত গড়ে তোলা হবে।
নির্দলীয় তদারকি সরকারের অধীনে নির্বাচন ছাড়া অবাধ-সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেন বাম গণতান্ত্রিক জোটের নেতারা। তাঁদের অভিযোগ, সরকারের পক্ষ থেকে অতীতের মতোই একটি প্রহসনের নির্বাচনে কিছুসংখ্যক বিরোধী রাজনৈতিক দলকে টেনে আনার সব প্রচেষ্টা ভেস্তে গেছে। তাতে ব্যর্থ হয়ে ক্ষমতাসীন গোষ্ঠী দিশেহারা। তারা দমন-পীড়ন-নির্যাতনের পথে মানুষের প্রতিরোধ সংগ্রামকে নির্মূল করতে চাচ্ছে। সরকার মানুষের সাংবিধানিক ও আইনি অধিকার হরণ করার গোয়েন্দা নজরদারি প্রযুক্তির নাম দিয়েছে ‘সমন্বিত আইনসংগত আড়ি পাতা ব্যবস্থা’।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ডিবির হারুন বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে কিশোর গ্যাং সদস্যদের সঙ্গে জড়িত ৩৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছৈ। তাদের গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ওয়ারী ও গুলশান বিভাগ। গ্রেফতারদের মধ্যে বেশিরভাগ কিশোর গ্যাং সদস্যের বিরুদ্ধে থানায় মামলা রয়েছে। তিনি জানান, গ্রেফতাররা বাড্ডা, ভাটারা, তুরাগ, তিনশ ফিট ও যাত্রাবাড়ীসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় টার্গেট করা ব্যক্তিদের ইভটিজিং বা কোনো সময় ধাক্কা দেওয়ার ছলে উত্ত্যক্ত করত। এরপর তারা ঘেরাও করে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে মোবাইলফোন এবং নারীদের কাছ থেকে সোনার অলঙ্কার ছিনিয়ে নিত। এ ছাড়া তারা ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও চুরির সঙ্গে জড়িত। এসব গ্যাং সদস্য মাদক কারবারের সঙ্গেও জড়িত। ডিবি হারুন জানান, গ্রেফতার কিশোর গ্যাং সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদে কিছু কথিত বড় ভাইয়ের নাম পাওয়া গেছে। বড় ভাইদেরও গ্রেফতার করা হবে। কিশোর গ্যাং সদস্যদের বিরুদ্ধে ডিবির প্রতিটি টিম কাজ করছে।

মুঠোফোনে নজরদারির প্রযুক্তি নিয়ে বাম জোটের উদ্বেগ

আপডেট সময় : ০৯:১২:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ অক্টোবর ২০২৩

গণতন্ত্রকামী মানুষকে দমন করতে নজরদারির উচ্চ প্রযুক্তি আমদানি, গোপন পুলিশ ও জেল-জুলুমকে হাতিয়ার করে সরকার হিটলারের ‘গেস্টাপো’ বাহিনীর মতো প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে বাম গণতান্ত্রিক জোট। জোটের নেতারা বলছেন, জেল-জুলুমকে হাতিয়ার করে অতীতে কোনো স্বৈরশাসক চিরস্থায়ী হতে পারেনি। বাংলাদেশের মানুষ গণ–অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবে।
শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টন মোড়ে পদযাত্রা–পূর্ব সমাবেশে বাম গণতান্ত্রিক জোটের নেতারা এসব কথা বলেন। নির্দলীয় তদারকি সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি কমানো এবং দুর্নীতি লুটপাট ও টাকা পাচারে বাজার সিন্ডিকেটের হোতাদের গ্রেপ্তারের দাবিতে পদযাত্রা করে বাম গণতান্ত্রিক জোট। পল্টন মোড় থেকে বিজয়নগর হয়ে বক্স কালভার্ট সড়ক পর্যন্ত এই পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।

বাম গণতান্ত্রিক জোট ঢাকা মহানগরের সমন্বয়ক তৈমুর খানের সভাপতিত্বে ও সিপিবি ঢাকা দক্ষিণ কমিটির সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য সাইফুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য দেন জোটের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক ও বাংলাদেশের বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবীর, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) ঢাকা মহানগর দক্ষিণ কমিটির সাধারণ সম্পাদক জলি তালুকদার, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সাজেদুল হক, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) ঢাকা মহানগরের সমন্বয়ক জুলফিকার আলী প্রমুখ।
সরকারের ‘সমন্বিত নজরদারি’ প্রযুক্তি আমদানির কথা উল্লেখ করে সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষকে দমন–নির্মূল করতে ফ্রান্সসহ যারা এসব প্রযুক্তি বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন সরকারের হাতে তুলে দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে বিশ্ব জনমত গড়ে তোলা হবে।
নির্দলীয় তদারকি সরকারের অধীনে নির্বাচন ছাড়া অবাধ-সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেন বাম গণতান্ত্রিক জোটের নেতারা। তাঁদের অভিযোগ, সরকারের পক্ষ থেকে অতীতের মতোই একটি প্রহসনের নির্বাচনে কিছুসংখ্যক বিরোধী রাজনৈতিক দলকে টেনে আনার সব প্রচেষ্টা ভেস্তে গেছে। তাতে ব্যর্থ হয়ে ক্ষমতাসীন গোষ্ঠী দিশেহারা। তারা দমন-পীড়ন-নির্যাতনের পথে মানুষের প্রতিরোধ সংগ্রামকে নির্মূল করতে চাচ্ছে। সরকার মানুষের সাংবিধানিক ও আইনি অধিকার হরণ করার গোয়েন্দা নজরদারি প্রযুক্তির নাম দিয়েছে ‘সমন্বিত আইনসংগত আড়ি পাতা ব্যবস্থা’।