ঢাকা ০২:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি ::
আমাদের নিউজপোর্টালে আপনাকে স্বাগতম... সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে...

মাসের ৫ থেকে ১২ তারিখের মধ্যে প্রতারণা করেন তাঁরা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৫:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ অক্টোবর ২০২৩ ৮৫ বার পড়া হয়েছে

পোশাকশ্রমিকেরা যেসব এলাকায় বেশি বসবাস করেন, সেসব এলাকা বেছে নেন তাঁরা প্রতারণার জন্য। এলাকার মোবাইলে আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বিকাশে লেনদেনকারীদের কল দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেন টাকা। আর এ কাজের জন্য তাঁরা প্রতি মাসের ৫ থেকে ১২ তারিখকে বেছে নেন। কারণ, ওই সময়ে মাসের বেতন পেয়ে থাকেন বেশির ভাগ পোশাকশ্রমিক।
প্রতারক চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তারের পর এসব তথ্য জানায় চট্টগ্রাম নগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তিন প্রতারক হলেন কামরুল ইসলাম, বিল্লাল হোসেন ও ফিরোজ শেখ। গত সোমবার নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার কুয়াইশ রোড এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

নগর গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) নিহাদ আদনান সাংবাদিকদের জানান, গ্রেপ্তার প্রতারকেরা ফরিদপুর ও মাগুরা থেকে এসে বায়েজিদ বোস্তামী এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়েছেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে খবর পেয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে ৩৪টি সিম ও ৭টি মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা জানিয়েছেন, বিকাশের দোকানের সামনে ঘোরাঘুরি করেন। লিখে রাখা নম্বরগুলো মুখস্থ করে নেন। কত টাকা স্থানান্তরিত হয়েছে, তা-ও দেখে নেন আড়ালে।
এরপর তাঁরা বিকাশে লেনদেনকারী ব্যক্তিকে ফোন দিয়ে বলেন, ‘আমি বিকাশ এজেন্ট অফিস থেকে বলছি। আপনার বিকাশ অ্যাকাউন্টে কিছু টাকা ভুলে চলে গেছে। ওই টাকার মালিক আমাদের অফিসে আপনার অ্যাকাউন্টের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছে। এই মুহূর্তে আপনার অ্যাকাউন্টটি সাময়িকভাবে স্থগিত করা হলো। যদি অ্যাকাউন্টটি সচল রাখতে চান, তাহলে আমাদের বিকাশ অফিস থেকে একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ফোন করে কিছু তথ্য চাইবেন। আপনি যদি ওই তথ্যগুলো সঠিকভাবে দিতে পারেন, তাহলে আপনার নম্বরটি পুনরায় সচল করে দেওয়া হবে।’ সরল বিশ্বাসে লোকজন তাঁদের কথামতো ওটিপি ও লেনদেনের তথ্য দিয়ে দেন। এতে প্রতারকেরা তাঁদের বিকাশ অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেন।
পুলিশ কর্মকর্তা নিহাদ আদনান আরও বলেন, নিবন্ধন করা একাধিক সিম বিভিন্ন মুঠোফোন পরিবেশকের কাছ থেকে নিয়ে প্রতারণার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। তাঁদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মাসের ৫ থেকে ১২ তারিখের মধ্যে প্রতারণা করেন তাঁরা

আপডেট সময় : ০৮:৫৫:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ অক্টোবর ২০২৩

পোশাকশ্রমিকেরা যেসব এলাকায় বেশি বসবাস করেন, সেসব এলাকা বেছে নেন তাঁরা প্রতারণার জন্য। এলাকার মোবাইলে আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বিকাশে লেনদেনকারীদের কল দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেন টাকা। আর এ কাজের জন্য তাঁরা প্রতি মাসের ৫ থেকে ১২ তারিখকে বেছে নেন। কারণ, ওই সময়ে মাসের বেতন পেয়ে থাকেন বেশির ভাগ পোশাকশ্রমিক।
প্রতারক চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তারের পর এসব তথ্য জানায় চট্টগ্রাম নগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তিন প্রতারক হলেন কামরুল ইসলাম, বিল্লাল হোসেন ও ফিরোজ শেখ। গত সোমবার নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার কুয়াইশ রোড এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

নগর গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) নিহাদ আদনান সাংবাদিকদের জানান, গ্রেপ্তার প্রতারকেরা ফরিদপুর ও মাগুরা থেকে এসে বায়েজিদ বোস্তামী এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়েছেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে খবর পেয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে ৩৪টি সিম ও ৭টি মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা জানিয়েছেন, বিকাশের দোকানের সামনে ঘোরাঘুরি করেন। লিখে রাখা নম্বরগুলো মুখস্থ করে নেন। কত টাকা স্থানান্তরিত হয়েছে, তা-ও দেখে নেন আড়ালে।
এরপর তাঁরা বিকাশে লেনদেনকারী ব্যক্তিকে ফোন দিয়ে বলেন, ‘আমি বিকাশ এজেন্ট অফিস থেকে বলছি। আপনার বিকাশ অ্যাকাউন্টে কিছু টাকা ভুলে চলে গেছে। ওই টাকার মালিক আমাদের অফিসে আপনার অ্যাকাউন্টের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছে। এই মুহূর্তে আপনার অ্যাকাউন্টটি সাময়িকভাবে স্থগিত করা হলো। যদি অ্যাকাউন্টটি সচল রাখতে চান, তাহলে আমাদের বিকাশ অফিস থেকে একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ফোন করে কিছু তথ্য চাইবেন। আপনি যদি ওই তথ্যগুলো সঠিকভাবে দিতে পারেন, তাহলে আপনার নম্বরটি পুনরায় সচল করে দেওয়া হবে।’ সরল বিশ্বাসে লোকজন তাঁদের কথামতো ওটিপি ও লেনদেনের তথ্য দিয়ে দেন। এতে প্রতারকেরা তাঁদের বিকাশ অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেন।
পুলিশ কর্মকর্তা নিহাদ আদনান আরও বলেন, নিবন্ধন করা একাধিক সিম বিভিন্ন মুঠোফোন পরিবেশকের কাছ থেকে নিয়ে প্রতারণার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। তাঁদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।