ঢাকা ১০:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ৫ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি ::
আমাদের নিউজপোর্টালে আপনাকে স্বাগতম... সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে...

পড়ে রইল ভিসা-পাসপোর্ট, আগুন কেড়ে নিল পরিবারের ৫ জনকেই

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৭:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মার্চ ২০২৪ ৪৬ বার পড়া হয়েছে

দেশ ছাড়ার আগে স্ত্রী-ছেলে-মেয়েকে নিয়ে একসঙ্গে খেতে গিয়েছিলেন রাজধানীর বেইলি রোডে গ্রিন কোজি কটেজে বিরিয়ানির দোকান কাচ্চি ভাইয়ের শাখায়। সেখানে যাওয়াই কাল হলো মোবারকের। পরিবারের পাঁচজনের সবাই এখন লাশ।

কিছুদিন আগে ইতালিতে গ্রিন কার্ড পেয়ে সবাইকে সেখানে নিয়ে যেতে দেশে আসেন মোবারক হোসেন। ভিসা-পাসপোর্ট সব রেডি। পুরো পরিবার নিয়ে ১০ মার্চ ইতালি যাওয়ার কথা ছিল সৈয়দ মোবারক হোসেনের।

শুক্রবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একই পরিবারের পাঁচজনের লাশ বুঝে নিতে এসে এ কথা বলেন মোবারকের দুলাভাই সৈয়দ গাউসুল আজম।

দুলাভাই বলেন, মোবারক বেশ কয়েক বছর ধরে ইতালিতে প্রবাসী ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়; দুই মেয়ে সৈয়দা কাসফিয়া, সৈয়দা নূর এবং ছেলে সৈয়দ আব্দুল্লাহকে নিয়ে মোবারকের স্ত্রী স্বপ্না থাকতেন ঢাকার মধুবাগে।

কিছুদিন আগে ইতালিতে গ্রিন কার্ড পেয়ে সবাইকে সেখানে নিয়ে যেতে দেশে আসেন মোবারক হোসেন। তাদের ইতালি যাওয়ার ফ্লাইট ছিল ১০ মার্চ।

সৈয়দ গাউসুল আজম বলেন, ভিসা-পাসপোর্ট সব রেডি। যাওয়ার আগে সবাই মিলে খাওয়া-দাওয়া করতে কাচ্চি ভাইয়ে গিয়েছিল। মোবারক তার ছোট ভাইকেও যেতে বলেছিল। গেলে হয়ত আজকে তাকেও লাশ হয়ে ফিরতে হতো।

তিনি বলেন, আমি শুনেছি সিঁড়িতে নাকি সিলিন্ডার গ্যাস রেখেছে। এগুলোর বিস্ফোরণে আগুন আরও ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। আমি আশা করব, এগুলো নিয়ে সরকার যেন কঠিন পদক্ষেপ নেয়, যাতে আর কোনো পরিবারের এমন ক্ষতি না হয়।

সবাইকে গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দাফন করা হবে বলে জানান গাউসুল আজম।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ডিবির হারুন বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে কিশোর গ্যাং সদস্যদের সঙ্গে জড়িত ৩৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছৈ। তাদের গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ওয়ারী ও গুলশান বিভাগ। গ্রেফতারদের মধ্যে বেশিরভাগ কিশোর গ্যাং সদস্যের বিরুদ্ধে থানায় মামলা রয়েছে। তিনি জানান, গ্রেফতাররা বাড্ডা, ভাটারা, তুরাগ, তিনশ ফিট ও যাত্রাবাড়ীসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় টার্গেট করা ব্যক্তিদের ইভটিজিং বা কোনো সময় ধাক্কা দেওয়ার ছলে উত্ত্যক্ত করত। এরপর তারা ঘেরাও করে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে মোবাইলফোন এবং নারীদের কাছ থেকে সোনার অলঙ্কার ছিনিয়ে নিত। এ ছাড়া তারা ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও চুরির সঙ্গে জড়িত। এসব গ্যাং সদস্য মাদক কারবারের সঙ্গেও জড়িত। ডিবি হারুন জানান, গ্রেফতার কিশোর গ্যাং সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদে কিছু কথিত বড় ভাইয়ের নাম পাওয়া গেছে। বড় ভাইদেরও গ্রেফতার করা হবে। কিশোর গ্যাং সদস্যদের বিরুদ্ধে ডিবির প্রতিটি টিম কাজ করছে।

পড়ে রইল ভিসা-পাসপোর্ট, আগুন কেড়ে নিল পরিবারের ৫ জনকেই

আপডেট সময় : ০৮:৪৭:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মার্চ ২০২৪

দেশ ছাড়ার আগে স্ত্রী-ছেলে-মেয়েকে নিয়ে একসঙ্গে খেতে গিয়েছিলেন রাজধানীর বেইলি রোডে গ্রিন কোজি কটেজে বিরিয়ানির দোকান কাচ্চি ভাইয়ের শাখায়। সেখানে যাওয়াই কাল হলো মোবারকের। পরিবারের পাঁচজনের সবাই এখন লাশ।

কিছুদিন আগে ইতালিতে গ্রিন কার্ড পেয়ে সবাইকে সেখানে নিয়ে যেতে দেশে আসেন মোবারক হোসেন। ভিসা-পাসপোর্ট সব রেডি। পুরো পরিবার নিয়ে ১০ মার্চ ইতালি যাওয়ার কথা ছিল সৈয়দ মোবারক হোসেনের।

শুক্রবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একই পরিবারের পাঁচজনের লাশ বুঝে নিতে এসে এ কথা বলেন মোবারকের দুলাভাই সৈয়দ গাউসুল আজম।

দুলাভাই বলেন, মোবারক বেশ কয়েক বছর ধরে ইতালিতে প্রবাসী ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়; দুই মেয়ে সৈয়দা কাসফিয়া, সৈয়দা নূর এবং ছেলে সৈয়দ আব্দুল্লাহকে নিয়ে মোবারকের স্ত্রী স্বপ্না থাকতেন ঢাকার মধুবাগে।

কিছুদিন আগে ইতালিতে গ্রিন কার্ড পেয়ে সবাইকে সেখানে নিয়ে যেতে দেশে আসেন মোবারক হোসেন। তাদের ইতালি যাওয়ার ফ্লাইট ছিল ১০ মার্চ।

সৈয়দ গাউসুল আজম বলেন, ভিসা-পাসপোর্ট সব রেডি। যাওয়ার আগে সবাই মিলে খাওয়া-দাওয়া করতে কাচ্চি ভাইয়ে গিয়েছিল। মোবারক তার ছোট ভাইকেও যেতে বলেছিল। গেলে হয়ত আজকে তাকেও লাশ হয়ে ফিরতে হতো।

তিনি বলেন, আমি শুনেছি সিঁড়িতে নাকি সিলিন্ডার গ্যাস রেখেছে। এগুলোর বিস্ফোরণে আগুন আরও ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। আমি আশা করব, এগুলো নিয়ে সরকার যেন কঠিন পদক্ষেপ নেয়, যাতে আর কোনো পরিবারের এমন ক্ষতি না হয়।

সবাইকে গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দাফন করা হবে বলে জানান গাউসুল আজম।