ঢাকা ০৮:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ৩ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি ::
আমাদের নিউজপোর্টালে আপনাকে স্বাগতম... সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে...

নিখোঁজের তিন দিন পর উখিয়ায় অটোরিকশাচালকের লাশ উদ্ধার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৪১:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৩ ৪০ বার পড়া হয়েছে

নিখোঁজের তিন দিন পর কক্সবাজারের উখিয়ার জালিয়া পালং ইউনিয়নের শফিরবিল এলাকার জঙ্গল থেকে এক কিশোরের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত কিশোরের নাম নুরুল আবছার (১৭)। সে জালিয়া পালং ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মাদারবনিয়া গ্রামের ফরিদ আলমের ছেলে।

নুরুল আবছার কয়েক মাস ধরে সমুদ্রসৈকতের মেরিন ড্রাইভে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা (টমটম) চালিয়ে আয়রোজগার করছিল। গত শুক্রবার সে নিখোঁজ হয় বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, মোটা রশি দিয়ে শ্বাস রোধ করে কিশোর আবছারকে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গলায় দাগ রয়েছে। জঙ্গল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে। ছিনতাই হওয়া অটোরিকশা উদ্ধারসহ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তকরণের কাজ চলছে।

নিহত আবছারের বাবা ফরিদ আলম বলেন, ছেলেকে চার মাস আগে একটি অটোরিকশা কিনে দেন তিনি। মেরিন ড্রাইভে অটোরিকশা নিয়ে পর্যটক টানত ছেলে। গত শুক্রবার রাতে তাঁর ছেলের অটোরিকশাটি ভাড়া করেন জালিয়া পালং ইউনিয়নের ছেপটখালীর কয়েকজন লোক। তাঁরা ইনানী সৈকতে যাওয়ার কথা বলে রওনা দেন। এর পর থেকে ছেলে নিখোঁজ। এ ব্যাপারে গত শনিবার উখিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করা হয়।
ফরিদ আলম বলেন, গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় মেরিন ড্রাইভের (হোটেল রয়েল টিউলিপের কাছে) পূর্বপাশের জঙ্গল থেকে দুর্গন্ধ ছড়ালে স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ হয়। এরপর জঙ্গলের ভেতরে মুখবাঁধা অবস্থায় এক কিশোরের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। রাতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে এবং লাশের পরিচয় শনাক্ত করে। ফরিদ আলমের দাবি, এলাকার চিহ্নিত মানব পাচারকারী ব্যক্তিরা পরিকল্পিতভাবে তাঁর ছেলেকে হত্যা করেছে অটোরিকশাটি লুট করার জন্য।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ডিবির হারুন বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে কিশোর গ্যাং সদস্যদের সঙ্গে জড়িত ৩৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছৈ। তাদের গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ওয়ারী ও গুলশান বিভাগ। গ্রেফতারদের মধ্যে বেশিরভাগ কিশোর গ্যাং সদস্যের বিরুদ্ধে থানায় মামলা রয়েছে। তিনি জানান, গ্রেফতাররা বাড্ডা, ভাটারা, তুরাগ, তিনশ ফিট ও যাত্রাবাড়ীসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় টার্গেট করা ব্যক্তিদের ইভটিজিং বা কোনো সময় ধাক্কা দেওয়ার ছলে উত্ত্যক্ত করত। এরপর তারা ঘেরাও করে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে মোবাইলফোন এবং নারীদের কাছ থেকে সোনার অলঙ্কার ছিনিয়ে নিত। এ ছাড়া তারা ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও চুরির সঙ্গে জড়িত। এসব গ্যাং সদস্য মাদক কারবারের সঙ্গেও জড়িত। ডিবি হারুন জানান, গ্রেফতার কিশোর গ্যাং সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদে কিছু কথিত বড় ভাইয়ের নাম পাওয়া গেছে। বড় ভাইদেরও গ্রেফতার করা হবে। কিশোর গ্যাং সদস্যদের বিরুদ্ধে ডিবির প্রতিটি টিম কাজ করছে।

নিখোঁজের তিন দিন পর উখিয়ায় অটোরিকশাচালকের লাশ উদ্ধার

আপডেট সময় : ১১:৪১:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৩

নিখোঁজের তিন দিন পর কক্সবাজারের উখিয়ার জালিয়া পালং ইউনিয়নের শফিরবিল এলাকার জঙ্গল থেকে এক কিশোরের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত কিশোরের নাম নুরুল আবছার (১৭)। সে জালিয়া পালং ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মাদারবনিয়া গ্রামের ফরিদ আলমের ছেলে।

নুরুল আবছার কয়েক মাস ধরে সমুদ্রসৈকতের মেরিন ড্রাইভে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা (টমটম) চালিয়ে আয়রোজগার করছিল। গত শুক্রবার সে নিখোঁজ হয় বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, মোটা রশি দিয়ে শ্বাস রোধ করে কিশোর আবছারকে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গলায় দাগ রয়েছে। জঙ্গল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে। ছিনতাই হওয়া অটোরিকশা উদ্ধারসহ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তকরণের কাজ চলছে।

নিহত আবছারের বাবা ফরিদ আলম বলেন, ছেলেকে চার মাস আগে একটি অটোরিকশা কিনে দেন তিনি। মেরিন ড্রাইভে অটোরিকশা নিয়ে পর্যটক টানত ছেলে। গত শুক্রবার রাতে তাঁর ছেলের অটোরিকশাটি ভাড়া করেন জালিয়া পালং ইউনিয়নের ছেপটখালীর কয়েকজন লোক। তাঁরা ইনানী সৈকতে যাওয়ার কথা বলে রওনা দেন। এর পর থেকে ছেলে নিখোঁজ। এ ব্যাপারে গত শনিবার উখিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করা হয়।
ফরিদ আলম বলেন, গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় মেরিন ড্রাইভের (হোটেল রয়েল টিউলিপের কাছে) পূর্বপাশের জঙ্গল থেকে দুর্গন্ধ ছড়ালে স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ হয়। এরপর জঙ্গলের ভেতরে মুখবাঁধা অবস্থায় এক কিশোরের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। রাতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে এবং লাশের পরিচয় শনাক্ত করে। ফরিদ আলমের দাবি, এলাকার চিহ্নিত মানব পাচারকারী ব্যক্তিরা পরিকল্পিতভাবে তাঁর ছেলেকে হত্যা করেছে অটোরিকশাটি লুট করার জন্য।