ঢাকা ১০:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ৫ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি ::
আমাদের নিউজপোর্টালে আপনাকে স্বাগতম... সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে...

ডেঙ্গু জ্বরে কখন কী ধরণের টেস্ট করাতে হয়?

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:১৮:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১২৭ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশে গত কয়েকদিন ধরে সরকারি হিসেবেই প্রতিদিন দু হাজারের বেশি মানুষ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছে। চলতি মৌসুমে বুধবার পর্যন্ত মোট ১ লাখ ১৯ হাজার ১৩৩ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন আর মোট মারা গেছে ৫৬৯ জন।

ডেঙ্গু ভাইরাস বহনকারী এডিস মশার কামড়ে একজন মানুষ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হতে পারেন।

চিকিৎসকরা বলছেন সঠিক সময়ে চিকিৎসা নিতে পারলে এ রোগে মৃত্যু ঝুঁকি খুব একটা থাকে না। কিন্তু রোগটিকে অবহেলা করলে এটি জটিল আকার ধারণ করতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের সিডিসি অবশ্য বলছে প্রতি চার জনে একজন ডেঙ্গু আক্রান্ত ব্যক্তি ঝুঁকিতে পড়ার আশঙ্কা থাকে এবং মারাত্মক ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ব্যক্তির জীবন দ্রুতই হুমকির মুখে পড়তে পারে বলে হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন হতে পারে।

সংস্থাটির ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে সাধারণত জ্বরই এ রোগের লক্ষণ। সাথে বমি, র‍্যাশ ওঠা, চুলকানি বা ব্যথার উপসর্গ থাকতে পারে। তবে লক্ষণগুলো সাধারণত দুই থেকে সাতদিন পর্যন্ত থাকে এবং এক সপ্তাহের মধ্যেই বেশিরভাগ রোগী সুস্থতার দিকে চলে আসেন।

তবে চিকিৎসকরা বলছেন যে জ্বর কমলে বা রোগী ভালো হয়ে যাওয়ার পর রোগীর রক্তের প্লাটিলেট কাউন্ট কমে যেতে পারে এবং তখনি রক্তক্ষরণসহ নানা জটিলতা দেখা দিত পারে।

এ কারণে জ্বর চলে যাওয়ার পর রোগীকে সতর্ক থেকে নিয়ম অনুযায়ী চলতে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকরা।

সিডিসি বলছেন ডেঙ্গু রোগের সুনির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা নেই। বরং এর লক্ষণগুলো দেখে চিকিৎসকরা চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। (যেমন জ্বর হলে জ্বরের ঔষধ)।

ঢাকায় বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক সাজ্জাদ হোসেন বলছেন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত ব্যক্তির জন্য সাধারণত ডেঙ্গু এনএস১ এন্টিজেন, অ্যান্টিবডি পরীক্ষা, সিবিসি (প্লাটিলেট কাউন্টসহ) পরীক্ষা করাই যথেষ্ট হয়ে থাকে।

তবে রোগীর অবস্থা জটিল হলে বা রক্তক্ষরণের মতো সমস্যা দেখা গিলে তখন আরও কিছু টেস্ট করানো দরকার হয়ে থাকে

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ডিবির হারুন বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে কিশোর গ্যাং সদস্যদের সঙ্গে জড়িত ৩৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছৈ। তাদের গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ওয়ারী ও গুলশান বিভাগ। গ্রেফতারদের মধ্যে বেশিরভাগ কিশোর গ্যাং সদস্যের বিরুদ্ধে থানায় মামলা রয়েছে। তিনি জানান, গ্রেফতাররা বাড্ডা, ভাটারা, তুরাগ, তিনশ ফিট ও যাত্রাবাড়ীসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় টার্গেট করা ব্যক্তিদের ইভটিজিং বা কোনো সময় ধাক্কা দেওয়ার ছলে উত্ত্যক্ত করত। এরপর তারা ঘেরাও করে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে মোবাইলফোন এবং নারীদের কাছ থেকে সোনার অলঙ্কার ছিনিয়ে নিত। এ ছাড়া তারা ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও চুরির সঙ্গে জড়িত। এসব গ্যাং সদস্য মাদক কারবারের সঙ্গেও জড়িত। ডিবি হারুন জানান, গ্রেফতার কিশোর গ্যাং সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদে কিছু কথিত বড় ভাইয়ের নাম পাওয়া গেছে। বড় ভাইদেরও গ্রেফতার করা হবে। কিশোর গ্যাং সদস্যদের বিরুদ্ধে ডিবির প্রতিটি টিম কাজ করছে।

ডেঙ্গু জ্বরে কখন কী ধরণের টেস্ট করাতে হয়?

আপডেট সময় : ০৬:১৮:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩

বাংলাদেশে গত কয়েকদিন ধরে সরকারি হিসেবেই প্রতিদিন দু হাজারের বেশি মানুষ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছে। চলতি মৌসুমে বুধবার পর্যন্ত মোট ১ লাখ ১৯ হাজার ১৩৩ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন আর মোট মারা গেছে ৫৬৯ জন।

ডেঙ্গু ভাইরাস বহনকারী এডিস মশার কামড়ে একজন মানুষ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হতে পারেন।

চিকিৎসকরা বলছেন সঠিক সময়ে চিকিৎসা নিতে পারলে এ রোগে মৃত্যু ঝুঁকি খুব একটা থাকে না। কিন্তু রোগটিকে অবহেলা করলে এটি জটিল আকার ধারণ করতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের সিডিসি অবশ্য বলছে প্রতি চার জনে একজন ডেঙ্গু আক্রান্ত ব্যক্তি ঝুঁকিতে পড়ার আশঙ্কা থাকে এবং মারাত্মক ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ব্যক্তির জীবন দ্রুতই হুমকির মুখে পড়তে পারে বলে হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন হতে পারে।

সংস্থাটির ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে সাধারণত জ্বরই এ রোগের লক্ষণ। সাথে বমি, র‍্যাশ ওঠা, চুলকানি বা ব্যথার উপসর্গ থাকতে পারে। তবে লক্ষণগুলো সাধারণত দুই থেকে সাতদিন পর্যন্ত থাকে এবং এক সপ্তাহের মধ্যেই বেশিরভাগ রোগী সুস্থতার দিকে চলে আসেন।

তবে চিকিৎসকরা বলছেন যে জ্বর কমলে বা রোগী ভালো হয়ে যাওয়ার পর রোগীর রক্তের প্লাটিলেট কাউন্ট কমে যেতে পারে এবং তখনি রক্তক্ষরণসহ নানা জটিলতা দেখা দিত পারে।

এ কারণে জ্বর চলে যাওয়ার পর রোগীকে সতর্ক থেকে নিয়ম অনুযায়ী চলতে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকরা।

সিডিসি বলছেন ডেঙ্গু রোগের সুনির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা নেই। বরং এর লক্ষণগুলো দেখে চিকিৎসকরা চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। (যেমন জ্বর হলে জ্বরের ঔষধ)।

ঢাকায় বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক সাজ্জাদ হোসেন বলছেন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত ব্যক্তির জন্য সাধারণত ডেঙ্গু এনএস১ এন্টিজেন, অ্যান্টিবডি পরীক্ষা, সিবিসি (প্লাটিলেট কাউন্টসহ) পরীক্ষা করাই যথেষ্ট হয়ে থাকে।

তবে রোগীর অবস্থা জটিল হলে বা রক্তক্ষরণের মতো সমস্যা দেখা গিলে তখন আরও কিছু টেস্ট করানো দরকার হয়ে থাকে