ঢাকা ১০:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ৫ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি ::
আমাদের নিউজপোর্টালে আপনাকে স্বাগতম... সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে...

ডিবির হারুন বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে কিশোর গ্যাং সদস্যদের সঙ্গে জড়িত ৩৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছৈ। তাদের গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ওয়ারী ও গুলশান বিভাগ। গ্রেফতারদের মধ্যে বেশিরভাগ কিশোর গ্যাং সদস্যের বিরুদ্ধে থানায় মামলা রয়েছে। তিনি জানান, গ্রেফতাররা বাড্ডা, ভাটারা, তুরাগ, তিনশ ফিট ও যাত্রাবাড়ীসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় টার্গেট করা ব্যক্তিদের ইভটিজিং বা কোনো সময় ধাক্কা দেওয়ার ছলে উত্ত্যক্ত করত। এরপর তারা ঘেরাও করে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে মোবাইলফোন এবং নারীদের কাছ থেকে সোনার অলঙ্কার ছিনিয়ে নিত। এ ছাড়া তারা ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও চুরির সঙ্গে জড়িত। এসব গ্যাং সদস্য মাদক কারবারের সঙ্গেও জড়িত। ডিবি হারুন জানান, গ্রেফতার কিশোর গ্যাং সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদে কিছু কথিত বড় ভাইয়ের নাম পাওয়া গেছে। বড় ভাইদেরও গ্রেফতার করা হবে। কিশোর গ্যাং সদস্যদের বিরুদ্ধে ডিবির প্রতিটি টিম কাজ করছে।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৪:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মার্চ ২০২৪ ৪৮ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীতে রেস্তোরাঁয় অভিযান চালিয়ে এক ধরনের অত্যাচার করা হচ্ছে বলে দাবি করেছে রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি। বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির মহাসচিব ইমরান হাসান বলেছেন, হাইকোর্ট কি দেখতে পাচ্ছে না আমাদের ওপর জুলুম হচ্ছে। বর্তমানে বিচারহীনতার সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে। আমাদের ওপর জুলুম হচ্ছে তা কি হাইকোর্ট দেখতে পাচ্ছে না? এদেশে প্রধানমন্ত্রী দিকনির্দেশনা না দিলে কোনো কাজ হবে না বলেও আক্ষেপ করেন তিনি।

মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। রাজধানীর পল্টনে নিজস্ব ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি।

ইমরান হাসান বলেন, স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ফিতা কাটায় ব্যস্ত। অনেকবার তার সাক্ষাৎ চাওয়া হলেও আমাদের সময় দেননি। আমরা ব্যবসার সব কার্যক্রম এক ছাতার নিচে নিয়ে আসার জন্য দাবি করে যাচ্ছি কিন্তু সরকারের কোন সহযোগিতা নেই।

করপোরেট কোম্পানিগুলো এ খাত দখল নিতে চায় অভিযোগ করে ইমরান হাসান বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে বর্তমানে বড় একটি ষড়যন্ত্র চলছে। বহুজাতিক করপোরেট কোম্পানিগুলো এ খাতটি নিয়ে যেতেই এসব কাজ করছে। তারা চাল থেকে শুরু করে বেকারি ব্যবসা সব কিছু নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে যেতে চায়। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জুলুম করে রেস্তোরাঁ ব্যবসা করপোরেট কোম্পানিগুলো নিয়ে যেতে চায়।

বেইলি রোডে আগুনের পরিপ্রেক্ষিতে আগামী বৃহস্পতিবার কালো পতাকা উত্তোলন ও কালো ব্যাজ ধারণ করা হবে বলে একটি কর্মসূচি নিয়েছে সমিতি।

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে ৪ লাখ ৮১ হাজার রেস্তোরাঁ রয়েছে। সেখানে ৩০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান রয়েছে। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ২ কোটি মানুষ এ পেশার ওপর নির্ভরশীল। হয়রানি না করে টাস্কফোর্স গঠন করে রেস্তোরাঁ ব্যবসা চালু রাখার ব্যবস্থা নিতে হবে। দীর্ঘদিন ঘুরেও লাইসেন্স পাওয়া যায় না। কোনো অবৈধ রেস্তোরাঁ নেই।

তিনি বলেন, আমরা প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। তিনি সাক্ষাতের সময় দিলে সব সমস্যা নিয়ে কথা বলা হবে। আর যদি সময় না দেন তাহলে সব চাবি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর অফিসে পাঠিয়ে দেব। তিনি বলেন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থায় প্রায় এক হাজার চিঠি দেওয়া হয়েছে। আমাদের সমস্যার সমাধানে তারা সময় দেয় না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ডিবির হারুন বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে কিশোর গ্যাং সদস্যদের সঙ্গে জড়িত ৩৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছৈ। তাদের গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ওয়ারী ও গুলশান বিভাগ। গ্রেফতারদের মধ্যে বেশিরভাগ কিশোর গ্যাং সদস্যের বিরুদ্ধে থানায় মামলা রয়েছে। তিনি জানান, গ্রেফতাররা বাড্ডা, ভাটারা, তুরাগ, তিনশ ফিট ও যাত্রাবাড়ীসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় টার্গেট করা ব্যক্তিদের ইভটিজিং বা কোনো সময় ধাক্কা দেওয়ার ছলে উত্ত্যক্ত করত। এরপর তারা ঘেরাও করে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে মোবাইলফোন এবং নারীদের কাছ থেকে সোনার অলঙ্কার ছিনিয়ে নিত। এ ছাড়া তারা ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও চুরির সঙ্গে জড়িত। এসব গ্যাং সদস্য মাদক কারবারের সঙ্গেও জড়িত। ডিবি হারুন জানান, গ্রেফতার কিশোর গ্যাং সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদে কিছু কথিত বড় ভাইয়ের নাম পাওয়া গেছে। বড় ভাইদেরও গ্রেফতার করা হবে। কিশোর গ্যাং সদস্যদের বিরুদ্ধে ডিবির প্রতিটি টিম কাজ করছে।

ডিবির হারুন বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে কিশোর গ্যাং সদস্যদের সঙ্গে জড়িত ৩৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছৈ। তাদের গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ওয়ারী ও গুলশান বিভাগ। গ্রেফতারদের মধ্যে বেশিরভাগ কিশোর গ্যাং সদস্যের বিরুদ্ধে থানায় মামলা রয়েছে। তিনি জানান, গ্রেফতাররা বাড্ডা, ভাটারা, তুরাগ, তিনশ ফিট ও যাত্রাবাড়ীসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় টার্গেট করা ব্যক্তিদের ইভটিজিং বা কোনো সময় ধাক্কা দেওয়ার ছলে উত্ত্যক্ত করত। এরপর তারা ঘেরাও করে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে মোবাইলফোন এবং নারীদের কাছ থেকে সোনার অলঙ্কার ছিনিয়ে নিত। এ ছাড়া তারা ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও চুরির সঙ্গে জড়িত। এসব গ্যাং সদস্য মাদক কারবারের সঙ্গেও জড়িত। ডিবি হারুন জানান, গ্রেফতার কিশোর গ্যাং সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদে কিছু কথিত বড় ভাইয়ের নাম পাওয়া গেছে। বড় ভাইদেরও গ্রেফতার করা হবে। কিশোর গ্যাং সদস্যদের বিরুদ্ধে ডিবির প্রতিটি টিম কাজ করছে।

আপডেট সময় : ০৭:৪৪:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মার্চ ২০২৪

রাজধানীতে রেস্তোরাঁয় অভিযান চালিয়ে এক ধরনের অত্যাচার করা হচ্ছে বলে দাবি করেছে রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি। বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির মহাসচিব ইমরান হাসান বলেছেন, হাইকোর্ট কি দেখতে পাচ্ছে না আমাদের ওপর জুলুম হচ্ছে। বর্তমানে বিচারহীনতার সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে। আমাদের ওপর জুলুম হচ্ছে তা কি হাইকোর্ট দেখতে পাচ্ছে না? এদেশে প্রধানমন্ত্রী দিকনির্দেশনা না দিলে কোনো কাজ হবে না বলেও আক্ষেপ করেন তিনি।

মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। রাজধানীর পল্টনে নিজস্ব ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি।

ইমরান হাসান বলেন, স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ফিতা কাটায় ব্যস্ত। অনেকবার তার সাক্ষাৎ চাওয়া হলেও আমাদের সময় দেননি। আমরা ব্যবসার সব কার্যক্রম এক ছাতার নিচে নিয়ে আসার জন্য দাবি করে যাচ্ছি কিন্তু সরকারের কোন সহযোগিতা নেই।

করপোরেট কোম্পানিগুলো এ খাত দখল নিতে চায় অভিযোগ করে ইমরান হাসান বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে বর্তমানে বড় একটি ষড়যন্ত্র চলছে। বহুজাতিক করপোরেট কোম্পানিগুলো এ খাতটি নিয়ে যেতেই এসব কাজ করছে। তারা চাল থেকে শুরু করে বেকারি ব্যবসা সব কিছু নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে যেতে চায়। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জুলুম করে রেস্তোরাঁ ব্যবসা করপোরেট কোম্পানিগুলো নিয়ে যেতে চায়।

বেইলি রোডে আগুনের পরিপ্রেক্ষিতে আগামী বৃহস্পতিবার কালো পতাকা উত্তোলন ও কালো ব্যাজ ধারণ করা হবে বলে একটি কর্মসূচি নিয়েছে সমিতি।

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে ৪ লাখ ৮১ হাজার রেস্তোরাঁ রয়েছে। সেখানে ৩০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান রয়েছে। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ২ কোটি মানুষ এ পেশার ওপর নির্ভরশীল। হয়রানি না করে টাস্কফোর্স গঠন করে রেস্তোরাঁ ব্যবসা চালু রাখার ব্যবস্থা নিতে হবে। দীর্ঘদিন ঘুরেও লাইসেন্স পাওয়া যায় না। কোনো অবৈধ রেস্তোরাঁ নেই।

তিনি বলেন, আমরা প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। তিনি সাক্ষাতের সময় দিলে সব সমস্যা নিয়ে কথা বলা হবে। আর যদি সময় না দেন তাহলে সব চাবি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর অফিসে পাঠিয়ে দেব। তিনি বলেন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থায় প্রায় এক হাজার চিঠি দেওয়া হয়েছে। আমাদের সমস্যার সমাধানে তারা সময় দেয় না।