ঢাকা ১০:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ৫ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি ::
আমাদের নিউজপোর্টালে আপনাকে স্বাগতম... সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে...

ক্ষুধা সূচকে সামান্য এগিয়েছে বাংলাদেশ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৮:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৩ ৫৬ বার পড়া হয়েছে

ক্ষুধা মেটানোর সক্ষমতার দিক থেকে ১২৫টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৮১তম। বাংলাদেশ বর্তমানে ‘মাঝারি মাত্রার’ ক্ষুধায় আক্রান্ত দেশ। চলতি বছরের ক্ষুধা সূচকে মোট ১০০ স্কোরের মধ্যে বাংলাদেশ পেয়েছে ১৯। দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দুই দেশ ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে ক্ষুধা মেটানোর সক্ষমতায় বাংলাদেশ এগিয়ে রয়েছে।
গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স (বিশ্ব ক্ষুধা সূচক) ২০২৩ গত বৃহস্পতিবার প্রকাশিত হয়। প্রতিবছর আয়ারল্যান্ডভিত্তিক সংস্থা কনসার্ন ওয়ার্ল্ডওয়াইড ও জার্মানভিত্তিক ভেল্ট হ্যুঙ্গার হিলফে যৌথভাবে এই সূচক প্রকাশ করে।
একটি দেশে অপুষ্টির মাত্রা, পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের উচ্চতা অনুযায়ী কম ওজন, পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের বয়স অনুযায়ী কম উচ্চতা এবং শিশুমৃত্যুর হার হিসাব করে ক্ষুধার মাত্রা নির্ধারণ করা হয়। বৈশ্বিক, আঞ্চলিক বা জাতীয়—যেকোনো পর্যায়ে ক্ষুধার মাত্রা নির্ণয় করতে এই সূচকগুলো ব্যবহার করা হয়।

বিশ্ব ক্ষুধা সূচকে কারও স্কোর শূন্য হলে বুঝতে হবে, সেখানে ক্ষুধা নেই। আর স্কোর ১০০ হওয়ার অর্থ, সেখানে ক্ষুধার মাত্রা সর্বোচ্চ। ক্ষুধা সূচক ১০ থেকে ১৯ দশমিক ৯-এর মধ্যে থাকলে ওই দেশ ‘মাঝারি মাত্রার’ ক্ষুধায় আক্রান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। বাংলাদেশ ক্ষুধা মেটানোর ক্ষেত্রে ধারাবাহিকভাবে উন্নতি করছে। ২০০০ সালে বাংলাদেশের স্কোর ছিল ৩৩ দশমিক ৮। এবার সেখানে ১৯। গত বছর ১২১টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৮৪তম। আর বাংলাদেশের স্কোর ছিল ১৯ দশমিক ৬।
ক্ষুধা মেটানোর সক্ষমতার দিক থেকে দেশগুলোর তালিকায় পাকিস্তানের অবস্থান ১০২তম, স্কোর ২৬ দশমিক ২। আর ভারতের অবস্থান ১১১তম, স্কোর ২৮ দশমিক ৭। আফগানিস্তানের অবস্থান ১১৪তম, স্কোর ৩০ দশমিক ৬। তবে নেপাল (৬৯তম অবস্থান, স্কোর ১৫) এবং শ্রীলঙ্কা (৬০তম অবস্থান, স্কোর ১৩ দশমিক ৩) ক্ষুধা সূচকে বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে।

সূচকে সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় রয়েছে দক্ষিণ সুদান, বুরুন্ডি, সোমালিয়া, মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র ও মাদাগাস্কার। আর সবচেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে বেলারুশ, বসনিয়া-হার্জেগোভিনা, চিলি, চীন, ক্রোয়েশিয়া, এস্তোনিয়া।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ডিবির হারুন বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে কিশোর গ্যাং সদস্যদের সঙ্গে জড়িত ৩৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছৈ। তাদের গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ওয়ারী ও গুলশান বিভাগ। গ্রেফতারদের মধ্যে বেশিরভাগ কিশোর গ্যাং সদস্যের বিরুদ্ধে থানায় মামলা রয়েছে। তিনি জানান, গ্রেফতাররা বাড্ডা, ভাটারা, তুরাগ, তিনশ ফিট ও যাত্রাবাড়ীসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় টার্গেট করা ব্যক্তিদের ইভটিজিং বা কোনো সময় ধাক্কা দেওয়ার ছলে উত্ত্যক্ত করত। এরপর তারা ঘেরাও করে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে মোবাইলফোন এবং নারীদের কাছ থেকে সোনার অলঙ্কার ছিনিয়ে নিত। এ ছাড়া তারা ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও চুরির সঙ্গে জড়িত। এসব গ্যাং সদস্য মাদক কারবারের সঙ্গেও জড়িত। ডিবি হারুন জানান, গ্রেফতার কিশোর গ্যাং সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদে কিছু কথিত বড় ভাইয়ের নাম পাওয়া গেছে। বড় ভাইদেরও গ্রেফতার করা হবে। কিশোর গ্যাং সদস্যদের বিরুদ্ধে ডিবির প্রতিটি টিম কাজ করছে।

ক্ষুধা সূচকে সামান্য এগিয়েছে বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ০৯:৩৮:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৩

ক্ষুধা মেটানোর সক্ষমতার দিক থেকে ১২৫টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৮১তম। বাংলাদেশ বর্তমানে ‘মাঝারি মাত্রার’ ক্ষুধায় আক্রান্ত দেশ। চলতি বছরের ক্ষুধা সূচকে মোট ১০০ স্কোরের মধ্যে বাংলাদেশ পেয়েছে ১৯। দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দুই দেশ ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে ক্ষুধা মেটানোর সক্ষমতায় বাংলাদেশ এগিয়ে রয়েছে।
গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স (বিশ্ব ক্ষুধা সূচক) ২০২৩ গত বৃহস্পতিবার প্রকাশিত হয়। প্রতিবছর আয়ারল্যান্ডভিত্তিক সংস্থা কনসার্ন ওয়ার্ল্ডওয়াইড ও জার্মানভিত্তিক ভেল্ট হ্যুঙ্গার হিলফে যৌথভাবে এই সূচক প্রকাশ করে।
একটি দেশে অপুষ্টির মাত্রা, পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের উচ্চতা অনুযায়ী কম ওজন, পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের বয়স অনুযায়ী কম উচ্চতা এবং শিশুমৃত্যুর হার হিসাব করে ক্ষুধার মাত্রা নির্ধারণ করা হয়। বৈশ্বিক, আঞ্চলিক বা জাতীয়—যেকোনো পর্যায়ে ক্ষুধার মাত্রা নির্ণয় করতে এই সূচকগুলো ব্যবহার করা হয়।

বিশ্ব ক্ষুধা সূচকে কারও স্কোর শূন্য হলে বুঝতে হবে, সেখানে ক্ষুধা নেই। আর স্কোর ১০০ হওয়ার অর্থ, সেখানে ক্ষুধার মাত্রা সর্বোচ্চ। ক্ষুধা সূচক ১০ থেকে ১৯ দশমিক ৯-এর মধ্যে থাকলে ওই দেশ ‘মাঝারি মাত্রার’ ক্ষুধায় আক্রান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। বাংলাদেশ ক্ষুধা মেটানোর ক্ষেত্রে ধারাবাহিকভাবে উন্নতি করছে। ২০০০ সালে বাংলাদেশের স্কোর ছিল ৩৩ দশমিক ৮। এবার সেখানে ১৯। গত বছর ১২১টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৮৪তম। আর বাংলাদেশের স্কোর ছিল ১৯ দশমিক ৬।
ক্ষুধা মেটানোর সক্ষমতার দিক থেকে দেশগুলোর তালিকায় পাকিস্তানের অবস্থান ১০২তম, স্কোর ২৬ দশমিক ২। আর ভারতের অবস্থান ১১১তম, স্কোর ২৮ দশমিক ৭। আফগানিস্তানের অবস্থান ১১৪তম, স্কোর ৩০ দশমিক ৬। তবে নেপাল (৬৯তম অবস্থান, স্কোর ১৫) এবং শ্রীলঙ্কা (৬০তম অবস্থান, স্কোর ১৩ দশমিক ৩) ক্ষুধা সূচকে বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে।

সূচকে সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় রয়েছে দক্ষিণ সুদান, বুরুন্ডি, সোমালিয়া, মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র ও মাদাগাস্কার। আর সবচেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে বেলারুশ, বসনিয়া-হার্জেগোভিনা, চিলি, চীন, ক্রোয়েশিয়া, এস্তোনিয়া।