ঢাকা ০১:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি ::
আমাদের নিউজপোর্টালে আপনাকে স্বাগতম... সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে...

কে হচ্ছেন জাতিসংঘের পরবর্তী প্রধান

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫৩:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ৬৩ বার পড়া হয়েছে

জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব বাছাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু হতে এখনো অনেক দেরি। তবে এরই মধ্যে বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের স্থলাভিষিক্ত কে হচ্ছেন, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে। সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে কয়েকজনের নাম আলোচনায় আসছে। তবে জাতিসংঘের অভ্যন্তরীণ সূত্র সিএনএনকে বলেছে, এ দৌড়ে এগিয়ে আছেন বারবাডোসের প্রধানমন্ত্রী মিয়া মোটলি।

২০২৬ সালে জাতিসংঘের মহাসচিব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হবে। ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে জাতিসংঘের নতুন মহাসচিব দায়িত্ব নেবেন। অর্থাৎ, নতুন মহাসচিব পেতে তিন বছরের বেশি সময় বাকি। সাধারণত পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন ভৌগোলিক অঞ্চল থেকে মহাসচিব বাছাই করা হয়ে থাকে। সে অনুযায়ী ধারণা করা হচ্ছে, লাতিন আমেরিকা এবং ক্যারিবীয় অঞ্চল থেকে পরবর্তী মহাসচিব বেছে নেওয়া হতে পারে।

৭৮ বছর ধরে জাতিসংঘের মহাসচিবের পদটি পুরুষের দখলে আছে। তবে এবার নারী মহাসচিব নির্বাচিত হতে পারে বলে আভাস দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
সে ক্ষেত্রে এগিয়ে আছেন বারবাডোসের প্রধানমন্ত্রী মিয়া মোটলি। সম্প্রতি তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল তিনি জাতিসংঘের মহাসচিব পদে লড়তে চান কি না। এ প্রশ্নের সরাসরি জবাব না দিয়ে মোটলি অনুমোদনসূচকভাবে ‘থাম্বস আপ’ করেন এবং হাসি দিয়ে হেঁটে চলে যান।

সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন দ্বীপপুঞ্জের প্রধানমন্ত্রী রালফ গনসালভেস বলেছেন, মোটলি প্রার্থী হিসেবে অনুমোদন পেলে জয়ী হবেন। মোটলি জাতিসংঘের মহাসচিব হিসেবে দারুণ কাজ করবেন বলে মনে করেন তিনি।

মোটলি ২০১৮ সালে বারবাডোসের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। চার বছর পর দ্বিতীয় মেয়াদেও নির্বাচিত হন তিনি।

দুটি সূত্র সিএনএনকে বলেছে, কলম্বিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী হুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোস শিগগিরই প্রচারকাজ শুরু করবেন। অবশ্য সান্তোসের একজন প্রতিনিধির কাছে এ ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে তিনি তা অস্বীকার করেন।
আর্জেন্টিনার কূটনীতিক এবং আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসির নামও আলোচনায় ঘুরেফিরে আসছে।

এ ছাড়া আরও যাঁদের নাম আসছে—মেক্সিকোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী এলিসিয়া বার্সেনা, জাতিসংঘের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং কোস্টারিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট রেবেকা গ্রিনস্প্যান, জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং ইকুয়েডরের সাবেক মন্ত্রী মারিয়া ফারনান্দা এসপিনোসা গারসেস।

দীর্ঘদিন ধরে জাতিসংঘের মহাসচিব বাছাইয়ের কাজটি খুব গোপনে করা হতো। তবে ২০১৬ সালে এ নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হতে থাকে। পাঁচ বছর মেয়াদে মহাসচিব নির্বাচিত হয়ে থাকেন। বর্তমান মহাসচিব গুতেরেস দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব পালন করছেন।
জাতিসংঘের মহাসচিব হিসেবে প্রার্থিতা পেতে আগ্রহী ব্যক্তিকে শুরুতে কোনো দেশের মাধ্যমে অনুমোদন পেতে হয়। সাধারণত এ ক্ষেত্রে নিজ দেশের অনুমোদন নিতে হয়। এরপর সাধারণ পরিষদে তাঁদের নাম সুপারিশ করে নিরাপত্তা পরিষদ।

২০১৬ সালে সবশেষ বাছাইপ্রক্রিয়া চলার সময় কয়েকটি দেশ প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, মহাসচিব হিসেবে তারা নারী প্রার্থীদের অনুমোদন দেবে। ২০১৬ সালে ১৩ জন প্রার্থীর সাতজনই ছিলেন নারী। তবে শেষ পর্যন্ত পর্তুগিজ কূটনীতিক আন্তোনিও গুতেরেস মহাসচিব নির্বাচিত হন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

কে হচ্ছেন জাতিসংঘের পরবর্তী প্রধান

আপডেট সময় : ১১:৫৩:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৩

জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব বাছাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু হতে এখনো অনেক দেরি। তবে এরই মধ্যে বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের স্থলাভিষিক্ত কে হচ্ছেন, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে। সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে কয়েকজনের নাম আলোচনায় আসছে। তবে জাতিসংঘের অভ্যন্তরীণ সূত্র সিএনএনকে বলেছে, এ দৌড়ে এগিয়ে আছেন বারবাডোসের প্রধানমন্ত্রী মিয়া মোটলি।

২০২৬ সালে জাতিসংঘের মহাসচিব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হবে। ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে জাতিসংঘের নতুন মহাসচিব দায়িত্ব নেবেন। অর্থাৎ, নতুন মহাসচিব পেতে তিন বছরের বেশি সময় বাকি। সাধারণত পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন ভৌগোলিক অঞ্চল থেকে মহাসচিব বাছাই করা হয়ে থাকে। সে অনুযায়ী ধারণা করা হচ্ছে, লাতিন আমেরিকা এবং ক্যারিবীয় অঞ্চল থেকে পরবর্তী মহাসচিব বেছে নেওয়া হতে পারে।

৭৮ বছর ধরে জাতিসংঘের মহাসচিবের পদটি পুরুষের দখলে আছে। তবে এবার নারী মহাসচিব নির্বাচিত হতে পারে বলে আভাস দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
সে ক্ষেত্রে এগিয়ে আছেন বারবাডোসের প্রধানমন্ত্রী মিয়া মোটলি। সম্প্রতি তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল তিনি জাতিসংঘের মহাসচিব পদে লড়তে চান কি না। এ প্রশ্নের সরাসরি জবাব না দিয়ে মোটলি অনুমোদনসূচকভাবে ‘থাম্বস আপ’ করেন এবং হাসি দিয়ে হেঁটে চলে যান।

সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন দ্বীপপুঞ্জের প্রধানমন্ত্রী রালফ গনসালভেস বলেছেন, মোটলি প্রার্থী হিসেবে অনুমোদন পেলে জয়ী হবেন। মোটলি জাতিসংঘের মহাসচিব হিসেবে দারুণ কাজ করবেন বলে মনে করেন তিনি।

মোটলি ২০১৮ সালে বারবাডোসের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। চার বছর পর দ্বিতীয় মেয়াদেও নির্বাচিত হন তিনি।

দুটি সূত্র সিএনএনকে বলেছে, কলম্বিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী হুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোস শিগগিরই প্রচারকাজ শুরু করবেন। অবশ্য সান্তোসের একজন প্রতিনিধির কাছে এ ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে তিনি তা অস্বীকার করেন।
আর্জেন্টিনার কূটনীতিক এবং আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসির নামও আলোচনায় ঘুরেফিরে আসছে।

এ ছাড়া আরও যাঁদের নাম আসছে—মেক্সিকোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী এলিসিয়া বার্সেনা, জাতিসংঘের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং কোস্টারিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট রেবেকা গ্রিনস্প্যান, জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং ইকুয়েডরের সাবেক মন্ত্রী মারিয়া ফারনান্দা এসপিনোসা গারসেস।

দীর্ঘদিন ধরে জাতিসংঘের মহাসচিব বাছাইয়ের কাজটি খুব গোপনে করা হতো। তবে ২০১৬ সালে এ নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হতে থাকে। পাঁচ বছর মেয়াদে মহাসচিব নির্বাচিত হয়ে থাকেন। বর্তমান মহাসচিব গুতেরেস দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব পালন করছেন।
জাতিসংঘের মহাসচিব হিসেবে প্রার্থিতা পেতে আগ্রহী ব্যক্তিকে শুরুতে কোনো দেশের মাধ্যমে অনুমোদন পেতে হয়। সাধারণত এ ক্ষেত্রে নিজ দেশের অনুমোদন নিতে হয়। এরপর সাধারণ পরিষদে তাঁদের নাম সুপারিশ করে নিরাপত্তা পরিষদ।

২০১৬ সালে সবশেষ বাছাইপ্রক্রিয়া চলার সময় কয়েকটি দেশ প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, মহাসচিব হিসেবে তারা নারী প্রার্থীদের অনুমোদন দেবে। ২০১৬ সালে ১৩ জন প্রার্থীর সাতজনই ছিলেন নারী। তবে শেষ পর্যন্ত পর্তুগিজ কূটনীতিক আন্তোনিও গুতেরেস মহাসচিব নির্বাচিত হন।