ঢাকা ০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৪ মার্চ ২০২৪, ২০ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি ::
আমাদের নিউজপোর্টালে আপনাকে স্বাগতম... সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে...

কূটনীতিকদের নিয়ে নির্বাচন কমিশনের ব্রিফিং, যাননি পিটার হাস-প্রণয় ভার্মা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:২০:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৪ ৪৪ বার পড়া হয়েছে

কূটনীতিকদের ব্রিফিংয়ে যাননি পিটার হাস-প্রণয় ভার্মা; মানবজমিনের শিরোনাম এটি। বলা হচ্ছে নির্বাচনের শেষ মুহূর্তে বিদেশি বন্ধুদের আমন্ত্রণ জানিয়ে ভোটের সর্বশেষ পরিস্থিতি ব্রিফ করেছে নির্বাচন কমিশন।

ব্রিফিংয়ে চীন, রাশিয়া, জাপানসহ পশ্চিমা বেশ কয়েকটি দেশের রাষ্ট্রদূত/হাইকমিশনার আসলেও মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস ও ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা আসেননি।

তবে দু’জনই দূতাবাস থেকে প্রতিনিধি পাঠিয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ব্রিফ করেন সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল।

প্রায় ঘণ্টাব্যাপী ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত বিদেশি রাষ্ট্রদূত/হাইকমিশনার ও আন্তর্জাতিক মিশন প্রধানসহ সব মিলিয়ে প্রায় ৫০ জনের বেশি কূটনীতিক উপস্থিত ছিলেন।

ভোটারদের চাপ দেয়া হচ্ছে কিনা জানতে চেয়েছেন বিদেশি কূটনীতিকরা – বণিক বার্তার শিরোনাম। বলা হচ্ছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের কেন্দ্রে আনতে চাপ দেওয়া হচ্ছে কিনা সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে জানতে চেয়েছেন কূটনীতিকরা।

তবে নির্বাচন কমিশন তাদের জানিয়েছে, ভোটারদের কোনো চাপ দেওয়া হচ্ছে না। ভোটাররা যেন ভোট দিতে যান, কমিশনের সেটাই প্রত্যাশা। বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারি) বিকেলে ঢাকার প্যান-প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অগ্রগতি বিদেশি কূটনীতিকদের কাছে তুলে ধরেন সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল। পরে গণমাধ্যমের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অগ্রগতি জানাতে বাংলাদেশে অবস্থানরত বিভিন্ন দেশের দূতাবাস ও মিশনপ্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করে ইসি। এ সময় নির্বাচনের অগ্রগতি নিয়ে ইসির কাছে জানতে চান প্রতিনিধিরা।

সুষ্ঠু ভোট ‘দৃশ্যমান’ করতে চায় ইসি – যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম এটি। খবরে বলা হচ্ছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুষ্ঠু ভোটগ্রহণ দৃশ্যমান করা এবং ফলাফল প্রকাশ পর্যন্ত পরিবেশ শান্ত রাখার ওপর জোর দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটাররা যাতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটকেন্দ্রে যান, সেটাও ইসির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

এসব লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন থেকে বেশকিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন বর্জনকারী দলগুলোর সম্ভাব্য কার্যক্রম সম্পর্কেও খোঁজখবর রাখতে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে বলা হয়েছে।

মাঠ পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, নির্বাহী ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের কার্যক্রমও দৃশ্যমান রাখতে বলা হয়েছে। আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনায় একদিনেই ৪০টির বেশি মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। এর বেশির ভাগ মামলাই আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও তাদের কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে।

এছাড়া আজ শুক্রবার সারা দেশে ৬৫৩ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে নামছেন। যে কোনো অপরাধ দেখলেই তাদের তাৎক্ষণিক বিচারের মাধ্যমে (সামারি ট্রায়াল) দোষীকে সাজা দিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে বলা হয়েছে।

নির্বাচন নিয়ে যাতে প্রশ্ন না ওঠে এবং গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে দুর্গম ও চরাঞ্চল এলাকায় অবস্থিত প্রায় তিন হাজার ভোটকেন্দ্রে ভোটের আগের দিন শনিবার ব্যালট পাঠানো হবে। বাকি ৩৯ হাজারের বেশি কেন্দ্রে ভোটের দিন সকালে ব্যালট পেপার যাবে। ইসি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
সংঘাত, মৃত্যুতে শেষ হল প্রচার – প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম। বিস্তারিত খবরে বলা হয় সংঘাত-সহিংসতা, আচরণবিধি লঙ্ঘন ও প্রাণহানির মধ্য দিয়ে শেষ হলো দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার।

আওয়ামী লীগের বাইরে এই নির্বাচনে থাকা অন্য দলগুলোর প্রচার এবার খুব একটা চোখে পড়েনি। গত ১৮ ডিসেম্বর নির্বাচনী প্রচার শুরুর পর থেকে ৪ জানুয়ারি (গতকাল বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত ১৮ দিনে দেশে নির্বাচনী সংঘাতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

এবার ভোটের প্রচারের শুরু থেকেই প্রতিপক্ষকে হুমকিসহ আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিভিন্ন ঘটনা দেখা গেছে। রাজধানী ঢাকার ১৫টি আসনের মধ্যে প্রায় সব কটিতে মানুষের চলাচলের পথ আটকে বিভিন্ন জায়গায় ফুটপাত–সড়কে নির্বাচনী ক্যাম্প (কার্যালয়) করা হয়েছে।

কোথাও কোথাও বিধি লঙ্ঘন করে রঙিন পোস্টার-ব্যানার টাঙাতে দেখা গেছে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পক্ষে ভোটের প্রচারে বিধি লঙ্ঘনের এসব ঘটনা বেশি দেখা গেছে।

নির্বাচন ও ইউনূস ইস্যু পর্যবেক্ষণ করছে যুক্তরাষ্ট্র – মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ব্রিফিং নিয়ে খবরটি ছেপেছে দৈনিক যুগান্তর। বিস্তারিত বলা হয় নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে দেওয়া মামলায় সাজা এবং বাংলাদেশের নির্বাচন পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে যুক্তরাষ্ট্র।

বুধবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন মুখপাত্র ম্যাথু মিলার।

নির্বাচন নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে জাতিসংঘ – দৈনিক নয়া দিগন্তের শিরোনাম। এতে বলা হয় বাংলাদেশের নির্বাচন একটি স্বচ্ছ ও সংগঠিত উপায়ে অনুষ্ঠিত হবে বলে বিশ্বসংস্থাটি প্রত্যাশা করে। গতকাল জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সহযোগী মুখপাত্র ফ্লোরেন্সিয়া সোতো নিনো নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

কূটনীতিকদের নিয়ে নির্বাচন কমিশনের ব্রিফিং, যাননি পিটার হাস-প্রণয় ভার্মা

আপডেট সময় : ০৯:২০:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৪

কূটনীতিকদের ব্রিফিংয়ে যাননি পিটার হাস-প্রণয় ভার্মা; মানবজমিনের শিরোনাম এটি। বলা হচ্ছে নির্বাচনের শেষ মুহূর্তে বিদেশি বন্ধুদের আমন্ত্রণ জানিয়ে ভোটের সর্বশেষ পরিস্থিতি ব্রিফ করেছে নির্বাচন কমিশন।

ব্রিফিংয়ে চীন, রাশিয়া, জাপানসহ পশ্চিমা বেশ কয়েকটি দেশের রাষ্ট্রদূত/হাইকমিশনার আসলেও মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস ও ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা আসেননি।

তবে দু’জনই দূতাবাস থেকে প্রতিনিধি পাঠিয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ব্রিফ করেন সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল।

প্রায় ঘণ্টাব্যাপী ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত বিদেশি রাষ্ট্রদূত/হাইকমিশনার ও আন্তর্জাতিক মিশন প্রধানসহ সব মিলিয়ে প্রায় ৫০ জনের বেশি কূটনীতিক উপস্থিত ছিলেন।

ভোটারদের চাপ দেয়া হচ্ছে কিনা জানতে চেয়েছেন বিদেশি কূটনীতিকরা – বণিক বার্তার শিরোনাম। বলা হচ্ছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের কেন্দ্রে আনতে চাপ দেওয়া হচ্ছে কিনা সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে জানতে চেয়েছেন কূটনীতিকরা।

তবে নির্বাচন কমিশন তাদের জানিয়েছে, ভোটারদের কোনো চাপ দেওয়া হচ্ছে না। ভোটাররা যেন ভোট দিতে যান, কমিশনের সেটাই প্রত্যাশা। বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারি) বিকেলে ঢাকার প্যান-প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অগ্রগতি বিদেশি কূটনীতিকদের কাছে তুলে ধরেন সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল। পরে গণমাধ্যমের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অগ্রগতি জানাতে বাংলাদেশে অবস্থানরত বিভিন্ন দেশের দূতাবাস ও মিশনপ্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করে ইসি। এ সময় নির্বাচনের অগ্রগতি নিয়ে ইসির কাছে জানতে চান প্রতিনিধিরা।

সুষ্ঠু ভোট ‘দৃশ্যমান’ করতে চায় ইসি – যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম এটি। খবরে বলা হচ্ছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুষ্ঠু ভোটগ্রহণ দৃশ্যমান করা এবং ফলাফল প্রকাশ পর্যন্ত পরিবেশ শান্ত রাখার ওপর জোর দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটাররা যাতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটকেন্দ্রে যান, সেটাও ইসির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

এসব লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন থেকে বেশকিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন বর্জনকারী দলগুলোর সম্ভাব্য কার্যক্রম সম্পর্কেও খোঁজখবর রাখতে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে বলা হয়েছে।

মাঠ পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, নির্বাহী ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের কার্যক্রমও দৃশ্যমান রাখতে বলা হয়েছে। আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনায় একদিনেই ৪০টির বেশি মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। এর বেশির ভাগ মামলাই আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও তাদের কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে।

এছাড়া আজ শুক্রবার সারা দেশে ৬৫৩ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে নামছেন। যে কোনো অপরাধ দেখলেই তাদের তাৎক্ষণিক বিচারের মাধ্যমে (সামারি ট্রায়াল) দোষীকে সাজা দিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে বলা হয়েছে।

নির্বাচন নিয়ে যাতে প্রশ্ন না ওঠে এবং গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে দুর্গম ও চরাঞ্চল এলাকায় অবস্থিত প্রায় তিন হাজার ভোটকেন্দ্রে ভোটের আগের দিন শনিবার ব্যালট পাঠানো হবে। বাকি ৩৯ হাজারের বেশি কেন্দ্রে ভোটের দিন সকালে ব্যালট পেপার যাবে। ইসি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
সংঘাত, মৃত্যুতে শেষ হল প্রচার – প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম। বিস্তারিত খবরে বলা হয় সংঘাত-সহিংসতা, আচরণবিধি লঙ্ঘন ও প্রাণহানির মধ্য দিয়ে শেষ হলো দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার।

আওয়ামী লীগের বাইরে এই নির্বাচনে থাকা অন্য দলগুলোর প্রচার এবার খুব একটা চোখে পড়েনি। গত ১৮ ডিসেম্বর নির্বাচনী প্রচার শুরুর পর থেকে ৪ জানুয়ারি (গতকাল বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত ১৮ দিনে দেশে নির্বাচনী সংঘাতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

এবার ভোটের প্রচারের শুরু থেকেই প্রতিপক্ষকে হুমকিসহ আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিভিন্ন ঘটনা দেখা গেছে। রাজধানী ঢাকার ১৫টি আসনের মধ্যে প্রায় সব কটিতে মানুষের চলাচলের পথ আটকে বিভিন্ন জায়গায় ফুটপাত–সড়কে নির্বাচনী ক্যাম্প (কার্যালয়) করা হয়েছে।

কোথাও কোথাও বিধি লঙ্ঘন করে রঙিন পোস্টার-ব্যানার টাঙাতে দেখা গেছে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পক্ষে ভোটের প্রচারে বিধি লঙ্ঘনের এসব ঘটনা বেশি দেখা গেছে।

নির্বাচন ও ইউনূস ইস্যু পর্যবেক্ষণ করছে যুক্তরাষ্ট্র – মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ব্রিফিং নিয়ে খবরটি ছেপেছে দৈনিক যুগান্তর। বিস্তারিত বলা হয় নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে দেওয়া মামলায় সাজা এবং বাংলাদেশের নির্বাচন পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে যুক্তরাষ্ট্র।

বুধবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন মুখপাত্র ম্যাথু মিলার।

নির্বাচন নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে জাতিসংঘ – দৈনিক নয়া দিগন্তের শিরোনাম। এতে বলা হয় বাংলাদেশের নির্বাচন একটি স্বচ্ছ ও সংগঠিত উপায়ে অনুষ্ঠিত হবে বলে বিশ্বসংস্থাটি প্রত্যাশা করে। গতকাল জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সহযোগী মুখপাত্র ফ্লোরেন্সিয়া সোতো নিনো নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।