ঢাকা ০২:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি ::
আমাদের নিউজপোর্টালে আপনাকে স্বাগতম... সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে...

কন্যা শিশু দিবসে ইউপিডিএফ এর উদ্দেশ্যমূলক রাষ্ট্রবিরোধী প্রচারণা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৫:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ অক্টোবর ২০২৩ ২০৭ বার পড়া হয়েছে

*জাতীয় কন্যা শিশু দিবসকে ইউপিডিএফ হীন উদ্দেশ্যে ব্যবহারের অংশ হিসেবে শিশুকিশোরদের রাষ্ট্র, বাঙ্গালী ও সেনাবাহিনী সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এমন কুৎসা ও বিদ্বেষী শিখিয়েছে!*

খাগড়াছড়ি জেলার দীঘিনালা, পানছড়ি, লক্ষীছড়ি, মাটিরাঙ্গা, রামগড় ও মহালছড়ি এবং রাঙ্গামাটি জেলার নানিয়ারচর, কাউখালী ও রাঙ্গামাটি সদর কতুকছড়িতে ইউপিডিএফ প্রসীত বিকাশ খীসার মূল সন্ত্রাসীগোষ্ঠী জাতীয় কন্যা শিশু দিবসে র‌্যালি ও সমাবেশ এর মাধ্যমে নিজেদের সাংগঠনিক রক্ষার অংশ হিসেবে রাজনৈতিক হীন উদ্দেশ্যে শিশুকিশোর ও ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে রাষ্ট্র, বাঙ্গালী ও সেনাবাহিনী সহ অন্যান্য আইন- শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট প্রোপ্রাগান্ডা করেছে।

অদ্য ৩০ শে সেপ্টেম্বর ২০২৩ খ্রিঃ ইউপিডিএফ প্রসিত মূল বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসীগোষ্ঠীর উপজেলা ইউনিট গুলোর পরিচালনায় জাতীয় কন্যা শিশু দিবসে র‌্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত দিবসটিকে ইউপিডিএফ সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করে। হীন উদ্দেশ্যে ছোট-ছোট শিশুকিশোর এবং ছাত্রীদের মধ্যে রাষ্ট্র, বাঙ্গালী, সেনাবাহিনী ও আইন- শৃঙ্খলা বাহিনী সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব তৈরি হয় এমন কুৎসা, বিদ্বেষ শিখানো হয়েছে। অশালীন ভাষা-ব্যবহারে ভরা স্লোগান দিয়েছে ইউপিডিএফ সন্ত্রাসীরা। হুমকি এবং মিথ্যাচারমূলক ব্যানার ফেস্টুন এবং গান-বাজনা করা হয়েছে কর্মসূচী থেকে। স্কুলের ছোট-ছোট কোমলমতি বাচ্চা-শিশুদের জোরপূর্বক কর্মসূচীতে অংশ নিতে বাধ্য করিয়েছে। স্কুলের শিক্ষকদের হুমকি দেওয়া হয়েছে ছাত্র-ছাত্রীদের যেনো কর্মসূচীতে পাঠায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্কুল শিক্ষক জানায়,”পাহাড়ে আমরা অস্ত্রধারী আঞ্চলিক বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী গোষ্ঠী কর্তৃক হয়রানি, নির্যাতন, চাঁদাবাজি, অস্ত্রবাজি এবং অন্যায় ও অত্যাচারের শিকার। এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা যায় না। অনেক সময় আমাদের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রেখে তাদের রাষ্ট্র বিরোধী কর্মসূচীতে ছাত্র-ছাত্রীদের পাঠাতে হয়। এমনকি আমাদের স্কুলও ব্যবহার করতে দিতে হয়। আমরা এখানে বাধ্য। সেনাক্যাম্প বৃদ্ধি করলে এবং নিরাপত্তা টহল বৃদ্ধি করলে বাঙ্গালীদের চেয়ে আমাদের পাহাড়িদের উপকার বেশি হবে। আমরা পাহাড়িরা ভুক্তভোগী।”

অদ্যকার আয়োজিত কর্মসূচীতে ছোট-ছোট বাচ্চা শিশুকিশোর এবং কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের ইউপিডিএফ ব্যবহার করে রাষ্ট্র, বাঙ্গালী এবং সেনাবাহিনী সহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা দিয়েছে। বিগত কয়েক বছর ধরে ইউপিডিএফ কৌশল পরিবর্তন করে উদ্দেশ্য প্রণোদীতভাবে এমনটা করছে। যার প্রেক্ষিতে বর্তমান প্রজন্মের শিশু-কিশোরের মনে নেতিবাচক প্রভাব তৈরি হবে। তারা উগ্র স্বভাবে বেড়ে উঠবে। রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করবে এবং বাঙ্গালী ও সেনাবাহিনীকে ঘৃণা করবে। এমনকি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অস্ত্র তুলে নিতে উদ্বুদ্ধ হবে। এমনভাবেই যেনো বর্তমান প্রজন্ম গড়ে উঠে সে শিক্ষা দিচ্ছে বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ইউপিডিএফ।

ইউপিডিএফ এর রাষ্ট্র বিরোধিতা জন্মলগ্ন থেকে। তারা পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির বিরোধিতা করে ১৯৯৮ সালের ২৬ ডিসেম্বর ঢাকা এক সংবাদ সম্মেলনের মধ্য দিয়ে আত্মপ্রকাশ করে। স্বায়ত্তশাসন দাবিসহ এ অঞ্চল থেকে বাঙ্গালীদের সম্পূর্ণরূপে বিতাড়ন চায়। তারা রাষ্ট্রীয় বাহিনী, রাষ্ট্রীয় সম্পদ এবং বাঙ্গালী জনগোষ্ঠীর উপর হামলা, হত্যা, নির্যাতন, চাঁদাবাজি ও খুন-গুম অব্যাহত রেখে পাহাড় থেকে বাঙ্গালী বিতাড়ন করার মহা ষড়যন্ত্র করে আসছে। তাদের রয়েছে কয়েক হাজার সশস্ত্র গেরিলা যোদ্ধা। যাদের রয়েছে ভারী অস্ত্র ও যুদ্ধের সরঞ্জামাদি সহ রণকৌশল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

কন্যা শিশু দিবসে ইউপিডিএফ এর উদ্দেশ্যমূলক রাষ্ট্রবিরোধী প্রচারণা

আপডেট সময় : ০৪:৪৫:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ অক্টোবর ২০২৩

*জাতীয় কন্যা শিশু দিবসকে ইউপিডিএফ হীন উদ্দেশ্যে ব্যবহারের অংশ হিসেবে শিশুকিশোরদের রাষ্ট্র, বাঙ্গালী ও সেনাবাহিনী সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এমন কুৎসা ও বিদ্বেষী শিখিয়েছে!*

খাগড়াছড়ি জেলার দীঘিনালা, পানছড়ি, লক্ষীছড়ি, মাটিরাঙ্গা, রামগড় ও মহালছড়ি এবং রাঙ্গামাটি জেলার নানিয়ারচর, কাউখালী ও রাঙ্গামাটি সদর কতুকছড়িতে ইউপিডিএফ প্রসীত বিকাশ খীসার মূল সন্ত্রাসীগোষ্ঠী জাতীয় কন্যা শিশু দিবসে র‌্যালি ও সমাবেশ এর মাধ্যমে নিজেদের সাংগঠনিক রক্ষার অংশ হিসেবে রাজনৈতিক হীন উদ্দেশ্যে শিশুকিশোর ও ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে রাষ্ট্র, বাঙ্গালী ও সেনাবাহিনী সহ অন্যান্য আইন- শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট প্রোপ্রাগান্ডা করেছে।

অদ্য ৩০ শে সেপ্টেম্বর ২০২৩ খ্রিঃ ইউপিডিএফ প্রসিত মূল বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসীগোষ্ঠীর উপজেলা ইউনিট গুলোর পরিচালনায় জাতীয় কন্যা শিশু দিবসে র‌্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত দিবসটিকে ইউপিডিএফ সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করে। হীন উদ্দেশ্যে ছোট-ছোট শিশুকিশোর এবং ছাত্রীদের মধ্যে রাষ্ট্র, বাঙ্গালী, সেনাবাহিনী ও আইন- শৃঙ্খলা বাহিনী সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব তৈরি হয় এমন কুৎসা, বিদ্বেষ শিখানো হয়েছে। অশালীন ভাষা-ব্যবহারে ভরা স্লোগান দিয়েছে ইউপিডিএফ সন্ত্রাসীরা। হুমকি এবং মিথ্যাচারমূলক ব্যানার ফেস্টুন এবং গান-বাজনা করা হয়েছে কর্মসূচী থেকে। স্কুলের ছোট-ছোট কোমলমতি বাচ্চা-শিশুদের জোরপূর্বক কর্মসূচীতে অংশ নিতে বাধ্য করিয়েছে। স্কুলের শিক্ষকদের হুমকি দেওয়া হয়েছে ছাত্র-ছাত্রীদের যেনো কর্মসূচীতে পাঠায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্কুল শিক্ষক জানায়,”পাহাড়ে আমরা অস্ত্রধারী আঞ্চলিক বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী গোষ্ঠী কর্তৃক হয়রানি, নির্যাতন, চাঁদাবাজি, অস্ত্রবাজি এবং অন্যায় ও অত্যাচারের শিকার। এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা যায় না। অনেক সময় আমাদের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রেখে তাদের রাষ্ট্র বিরোধী কর্মসূচীতে ছাত্র-ছাত্রীদের পাঠাতে হয়। এমনকি আমাদের স্কুলও ব্যবহার করতে দিতে হয়। আমরা এখানে বাধ্য। সেনাক্যাম্প বৃদ্ধি করলে এবং নিরাপত্তা টহল বৃদ্ধি করলে বাঙ্গালীদের চেয়ে আমাদের পাহাড়িদের উপকার বেশি হবে। আমরা পাহাড়িরা ভুক্তভোগী।”

অদ্যকার আয়োজিত কর্মসূচীতে ছোট-ছোট বাচ্চা শিশুকিশোর এবং কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের ইউপিডিএফ ব্যবহার করে রাষ্ট্র, বাঙ্গালী এবং সেনাবাহিনী সহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা দিয়েছে। বিগত কয়েক বছর ধরে ইউপিডিএফ কৌশল পরিবর্তন করে উদ্দেশ্য প্রণোদীতভাবে এমনটা করছে। যার প্রেক্ষিতে বর্তমান প্রজন্মের শিশু-কিশোরের মনে নেতিবাচক প্রভাব তৈরি হবে। তারা উগ্র স্বভাবে বেড়ে উঠবে। রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করবে এবং বাঙ্গালী ও সেনাবাহিনীকে ঘৃণা করবে। এমনকি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অস্ত্র তুলে নিতে উদ্বুদ্ধ হবে। এমনভাবেই যেনো বর্তমান প্রজন্ম গড়ে উঠে সে শিক্ষা দিচ্ছে বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ইউপিডিএফ।

ইউপিডিএফ এর রাষ্ট্র বিরোধিতা জন্মলগ্ন থেকে। তারা পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির বিরোধিতা করে ১৯৯৮ সালের ২৬ ডিসেম্বর ঢাকা এক সংবাদ সম্মেলনের মধ্য দিয়ে আত্মপ্রকাশ করে। স্বায়ত্তশাসন দাবিসহ এ অঞ্চল থেকে বাঙ্গালীদের সম্পূর্ণরূপে বিতাড়ন চায়। তারা রাষ্ট্রীয় বাহিনী, রাষ্ট্রীয় সম্পদ এবং বাঙ্গালী জনগোষ্ঠীর উপর হামলা, হত্যা, নির্যাতন, চাঁদাবাজি ও খুন-গুম অব্যাহত রেখে পাহাড় থেকে বাঙ্গালী বিতাড়ন করার মহা ষড়যন্ত্র করে আসছে। তাদের রয়েছে কয়েক হাজার সশস্ত্র গেরিলা যোদ্ধা। যাদের রয়েছে ভারী অস্ত্র ও যুদ্ধের সরঞ্জামাদি সহ রণকৌশল।