ঢাকা ০২:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ৫ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি ::
আমাদের নিউজপোর্টালে আপনাকে স্বাগতম... সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে...

কক্সবাজারের সদর থানার পলিটেকনিক বিসিক এলাকায় ২,৯৩০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারী র‌্যাব-১৫ কর্তৃক গ্রেফতার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫৮:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ জুন ২০২৪ ২০ বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজারের সদর থানার ঝিলংজা ইউনিয়ন কক্সবাজার পলিটেকনিক বিসিক এলাকায় অস্থায়ী চেকপোষ্ট স্থাপন করে ২,৯৩০ পিস ইয়াবা উদ্ধারসহ একজন মাদক কারবারী র‌্যাব-১৫ কর্তৃক গ্রেফতার

১। র‌্যাব-১৫, কক্সবাজার দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে বদ্ধ পরিকর। দেশব্যাপী মাদকের বিস্তাররোধসহ সমাজে বিরাজমান নানাবিধ অপরাধ দমন ও অপরাধের সাথে জড়িত অপরাধীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে র‌্যাব-১৫ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

২। র‌্যাব-১৫, কক্সবাজার এর আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, যাত্রী বেশে একজন ব্যক্তি অবৈধ মাদকদ্রব্যসহ টেকনাফ-লিংক রোড সড়ক হয়ে টেকনাফ হতে কক্সবাজার শহরের দিকে আসছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে গত ০৭ জুন ২০২৪ তারিখ অনুমান ১১.৩০ ঘটিকায় র‌্যাব-১৫, সিপিএসসি ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল কক্সবাজার জেলার সদর থানাধীন ঝিলংজা ইউনিয়ন ০৪নং ওয়ার্ডস্থ টেকনাফ-লিংক রোড সড়কের কক্সবাজার পলিটেকনিক এর বিপরীত পাশের বিসিক মোড়ে অস্থায়ী চেকপোষ্ট স্থাপন করে তল্লাশী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত চেকপোষ্টে সিএনজি, অটোরিকশা তল্লাশী করার সময় সন্দেহজনকভাবে একজন ব্যক্তি দৌড়ে পালানোর চেষ্টাকালে র‌্যাবের আভিযানিক দল তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীত উপস্থিত স্বাক্ষীদের সম্মুখে আটককৃত ব্যক্তির সাথে থাকা শপিং ব্যাগ তল্লাশী করে তার হেফাজত হতে সর্বমোট ২,৯৩০ (দুই হাজার নয়শত ত্রিশ) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

৩। গ্রেফতারকৃত মাদক কারবারীর বিস্তারিত পরিচয়-মোঃ মনসুর (৩২), পিতা-মৃতআলী মিয়া, মাতা-জরিনা বেগম, সাং- নয়া বাজার, পশ্চিম সাতঘরিয়া পাড়া, ০৭নং ওয়ার্ড, হোয়াইক্যং ইউনিয়ন, থানা-টেকনাফ, জেলা-কক্সবাজার বলে জানা যায়। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত। সে দীর্ঘদিন যাবত অবৈধভাবে পার্শ্ববর্তী সীমান্তবর্তী এলাকা হতে ইয়াবা সংগ্রহপূর্বক নিজের হেফাজতে বিভিন্ন কৌশলে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে মজুদ করে রাখতো। যা পরবর্তীতে অত্যন্ত কৌশলে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে স্থানীয় এলাকাসহ কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিক্রয় করতো বলে জানায়।

৪। উদ্ধারকৃত আলামতসহ গ্রেফতাকৃত মাদক কারবারীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণার্থে কক্সবাজার জেলার সদর মডেল থানায় লিখিত এজাহার দাখিল করা হয়েছে।

—–ধন্যবাদ—–

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

কক্সবাজারের সদর থানার পলিটেকনিক বিসিক এলাকায় ২,৯৩০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারী র‌্যাব-১৫ কর্তৃক গ্রেফতার

আপডেট সময় : ১১:৫৮:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ জুন ২০২৪

কক্সবাজারের সদর থানার ঝিলংজা ইউনিয়ন কক্সবাজার পলিটেকনিক বিসিক এলাকায় অস্থায়ী চেকপোষ্ট স্থাপন করে ২,৯৩০ পিস ইয়াবা উদ্ধারসহ একজন মাদক কারবারী র‌্যাব-১৫ কর্তৃক গ্রেফতার

১। র‌্যাব-১৫, কক্সবাজার দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে বদ্ধ পরিকর। দেশব্যাপী মাদকের বিস্তাররোধসহ সমাজে বিরাজমান নানাবিধ অপরাধ দমন ও অপরাধের সাথে জড়িত অপরাধীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে র‌্যাব-১৫ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

২। র‌্যাব-১৫, কক্সবাজার এর আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, যাত্রী বেশে একজন ব্যক্তি অবৈধ মাদকদ্রব্যসহ টেকনাফ-লিংক রোড সড়ক হয়ে টেকনাফ হতে কক্সবাজার শহরের দিকে আসছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে গত ০৭ জুন ২০২৪ তারিখ অনুমান ১১.৩০ ঘটিকায় র‌্যাব-১৫, সিপিএসসি ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল কক্সবাজার জেলার সদর থানাধীন ঝিলংজা ইউনিয়ন ০৪নং ওয়ার্ডস্থ টেকনাফ-লিংক রোড সড়কের কক্সবাজার পলিটেকনিক এর বিপরীত পাশের বিসিক মোড়ে অস্থায়ী চেকপোষ্ট স্থাপন করে তল্লাশী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত চেকপোষ্টে সিএনজি, অটোরিকশা তল্লাশী করার সময় সন্দেহজনকভাবে একজন ব্যক্তি দৌড়ে পালানোর চেষ্টাকালে র‌্যাবের আভিযানিক দল তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীত উপস্থিত স্বাক্ষীদের সম্মুখে আটককৃত ব্যক্তির সাথে থাকা শপিং ব্যাগ তল্লাশী করে তার হেফাজত হতে সর্বমোট ২,৯৩০ (দুই হাজার নয়শত ত্রিশ) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

৩। গ্রেফতারকৃত মাদক কারবারীর বিস্তারিত পরিচয়-মোঃ মনসুর (৩২), পিতা-মৃতআলী মিয়া, মাতা-জরিনা বেগম, সাং- নয়া বাজার, পশ্চিম সাতঘরিয়া পাড়া, ০৭নং ওয়ার্ড, হোয়াইক্যং ইউনিয়ন, থানা-টেকনাফ, জেলা-কক্সবাজার বলে জানা যায়। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত। সে দীর্ঘদিন যাবত অবৈধভাবে পার্শ্ববর্তী সীমান্তবর্তী এলাকা হতে ইয়াবা সংগ্রহপূর্বক নিজের হেফাজতে বিভিন্ন কৌশলে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে মজুদ করে রাখতো। যা পরবর্তীতে অত্যন্ত কৌশলে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে স্থানীয় এলাকাসহ কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিক্রয় করতো বলে জানায়।

৪। উদ্ধারকৃত আলামতসহ গ্রেফতাকৃত মাদক কারবারীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণার্থে কক্সবাজার জেলার সদর মডেল থানায় লিখিত এজাহার দাখিল করা হয়েছে।

—–ধন্যবাদ—–