ঢাকা ১২:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ৫ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি ::
আমাদের নিউজপোর্টালে আপনাকে স্বাগতম... সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে...

কক্সবাজারের উদ্দেশে প্রথম পরিদর্শন ট্রেন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৩:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৩ ৬২ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারে প্রথমবারের মতো ট্রেন যাচ্ছে আজ রোববার। আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের আগে নতুন নির্মিত দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথ পরিদর্শনের জন্য এই ট্রেন চালানো হচ্ছে।

এর মাধ্যমে নতুন নির্মিত এই রেললাইন যাচাই করে দেখবেন পরিদর্শন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

আজ সকাল ৯টায় চট্টগ্রাম স্টেশন থেকে এই ট্রেন কক্সবাজারের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। ট্রেনটিতে সরকারি রেল পরিদর্শক রুহুল কাদের আজাদ, রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মো. নাজমুল ইসলামসহ সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও প্রকল্পসংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা আছেন। ট্রেনটিতে আটটি বগি রয়েছে।
সাধারণত দেশের কোথাও নতুন রেললাইন নির্মিত হলে রেলওয়ের পরিদর্শন অধিদপ্তর তা পরীক্ষা করে দেখে। অধিদপ্তর ছাড়পত্র দিলে নতুন রেলপথটি ট্রেন চলাচলের জন্য উপযোগী বলে বিবেচনা করা হয়। এরপর ট্রায়াল রান (পরীক্ষামূলক চলাচল) ও আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রেন চলাচল শুরু হয়।

ট্রেন ছাড়ার আগে চট্টগ্রাম স্টেশন প্ল্যাটফর্মে রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মো. নাজমুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, সাধারণত নিয়ম হলো নতুন রেলপথ নির্মাণ করা হলে তা পরিদর্শন করে পরীক্ষা–নিরীক্ষা করে দেখেন সরকারি রেল পরিদর্শক। তিনি যাচাই-বাছাই করে দেখবেন, কাজ ঠিকমতো হয়েছে কি না, রেলপথ নিরাপদ কি না। তিনি যদি সার্টিফাই না করেন, তাহলে ট্রেন পরিচালনা করা যাবে না। তিনি যাওয়ার জন্য নিরাপদ বললে তখন ট্রেন চালানো যাবে। এটা রেলওয়ের রুটিন ওয়ার্ক। এটি কোনো ট্রায়াল রান নয়। এটি পরিদর্শন ট্রেন।

২০১৮ সালে চট্টগ্রামের দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত নতুন রেললাইনের নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল। বর্তমানে চট্টগ্রাম নগর থেকে দোহাজারী পর্যন্ত রেললাইন আছে। ১১ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নতুন এই রেললাইনের উদ্বোধন করবেন। উদ্বোধন উপলক্ষে কক্সবাজারে সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইনের প্রকল্প পরিচালক মো. সবুক্তগীন প্রথম আলোকে বলেন, ৭ নভেম্বর রেলমন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজনের উপস্থিতিতে যে ট্রায়াল রান হওয়ার কথা ছিল, তা হচ্ছে না। আজ রেলওয়ের পরিদর্শন অধিদপ্তরের উদ্যোগে ট্রেন চালিয়ে দেখা হবে কোথাও কোনো সমস্যা বা ত্রুটি আছে কি না।

দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত ১০১ কিলোমিটার লাইনের মধ্যে মোট প্রকল্পের কাজ ৯২ শতাংশ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। প্রায় ১৮ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন প্রকল্পটির কাজ ২০১৮ সালে শুরু হয়। আগামী বছরের জুন পর্যন্ত এই প্রকল্পের মেয়াদ থাকলেও তার আগে আগামী ডিসেম্বরের দিকে পুরোপুরি কাজ শেষ হবে। বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ট্রেন চালানোর জন্য তার আগেই বুঝিয়ে দেওয়া যাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ডিবির হারুন বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে কিশোর গ্যাং সদস্যদের সঙ্গে জড়িত ৩৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছৈ। তাদের গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ওয়ারী ও গুলশান বিভাগ। গ্রেফতারদের মধ্যে বেশিরভাগ কিশোর গ্যাং সদস্যের বিরুদ্ধে থানায় মামলা রয়েছে। তিনি জানান, গ্রেফতাররা বাড্ডা, ভাটারা, তুরাগ, তিনশ ফিট ও যাত্রাবাড়ীসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় টার্গেট করা ব্যক্তিদের ইভটিজিং বা কোনো সময় ধাক্কা দেওয়ার ছলে উত্ত্যক্ত করত। এরপর তারা ঘেরাও করে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে মোবাইলফোন এবং নারীদের কাছ থেকে সোনার অলঙ্কার ছিনিয়ে নিত। এ ছাড়া তারা ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও চুরির সঙ্গে জড়িত। এসব গ্যাং সদস্য মাদক কারবারের সঙ্গেও জড়িত। ডিবি হারুন জানান, গ্রেফতার কিশোর গ্যাং সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদে কিছু কথিত বড় ভাইয়ের নাম পাওয়া গেছে। বড় ভাইদেরও গ্রেফতার করা হবে। কিশোর গ্যাং সদস্যদের বিরুদ্ধে ডিবির প্রতিটি টিম কাজ করছে।

কক্সবাজারের উদ্দেশে প্রথম পরিদর্শন ট্রেন

আপডেট সময় : ০৩:৩৩:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৩

চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারে প্রথমবারের মতো ট্রেন যাচ্ছে আজ রোববার। আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের আগে নতুন নির্মিত দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথ পরিদর্শনের জন্য এই ট্রেন চালানো হচ্ছে।

এর মাধ্যমে নতুন নির্মিত এই রেললাইন যাচাই করে দেখবেন পরিদর্শন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

আজ সকাল ৯টায় চট্টগ্রাম স্টেশন থেকে এই ট্রেন কক্সবাজারের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। ট্রেনটিতে সরকারি রেল পরিদর্শক রুহুল কাদের আজাদ, রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মো. নাজমুল ইসলামসহ সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও প্রকল্পসংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা আছেন। ট্রেনটিতে আটটি বগি রয়েছে।
সাধারণত দেশের কোথাও নতুন রেললাইন নির্মিত হলে রেলওয়ের পরিদর্শন অধিদপ্তর তা পরীক্ষা করে দেখে। অধিদপ্তর ছাড়পত্র দিলে নতুন রেলপথটি ট্রেন চলাচলের জন্য উপযোগী বলে বিবেচনা করা হয়। এরপর ট্রায়াল রান (পরীক্ষামূলক চলাচল) ও আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রেন চলাচল শুরু হয়।

ট্রেন ছাড়ার আগে চট্টগ্রাম স্টেশন প্ল্যাটফর্মে রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মো. নাজমুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, সাধারণত নিয়ম হলো নতুন রেলপথ নির্মাণ করা হলে তা পরিদর্শন করে পরীক্ষা–নিরীক্ষা করে দেখেন সরকারি রেল পরিদর্শক। তিনি যাচাই-বাছাই করে দেখবেন, কাজ ঠিকমতো হয়েছে কি না, রেলপথ নিরাপদ কি না। তিনি যদি সার্টিফাই না করেন, তাহলে ট্রেন পরিচালনা করা যাবে না। তিনি যাওয়ার জন্য নিরাপদ বললে তখন ট্রেন চালানো যাবে। এটা রেলওয়ের রুটিন ওয়ার্ক। এটি কোনো ট্রায়াল রান নয়। এটি পরিদর্শন ট্রেন।

২০১৮ সালে চট্টগ্রামের দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত নতুন রেললাইনের নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল। বর্তমানে চট্টগ্রাম নগর থেকে দোহাজারী পর্যন্ত রেললাইন আছে। ১১ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নতুন এই রেললাইনের উদ্বোধন করবেন। উদ্বোধন উপলক্ষে কক্সবাজারে সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইনের প্রকল্প পরিচালক মো. সবুক্তগীন প্রথম আলোকে বলেন, ৭ নভেম্বর রেলমন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজনের উপস্থিতিতে যে ট্রায়াল রান হওয়ার কথা ছিল, তা হচ্ছে না। আজ রেলওয়ের পরিদর্শন অধিদপ্তরের উদ্যোগে ট্রেন চালিয়ে দেখা হবে কোথাও কোনো সমস্যা বা ত্রুটি আছে কি না।

দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত ১০১ কিলোমিটার লাইনের মধ্যে মোট প্রকল্পের কাজ ৯২ শতাংশ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। প্রায় ১৮ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন প্রকল্পটির কাজ ২০১৮ সালে শুরু হয়। আগামী বছরের জুন পর্যন্ত এই প্রকল্পের মেয়াদ থাকলেও তার আগে আগামী ডিসেম্বরের দিকে পুরোপুরি কাজ শেষ হবে। বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ট্রেন চালানোর জন্য তার আগেই বুঝিয়ে দেওয়া যাবে।