ঢাকা ১০:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি ::
আমাদের নিউজপোর্টালে আপনাকে স্বাগতম... সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে...

অসহায় বিধবা নারীর দোকান ঘর জবরদখল, এবং ঘর থেকে বাড়াটিয়ার ধান লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে সালামের বিরুদ্ধে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:১৫:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৩ ৭১ বার পড়া হয়েছে

মোঃ মনিরুল ইসলাম নাচোল চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে জবরদখল করে আমার ভাতভিক্ষা দোকান ঘর দুটি কেড়ে নিলো আব্দুস সালাম, এক অসহায় বিধবা নারীর আর্তনাদ, এদিকে ঐ ঘর দুটি ভাড়া নিয়ে ধানের ব্যবসা করছেন স্থানীয় রাকিমুদ্দিন, সেই দুটি ঘর থেকে ধান লুটপাট করেই আবার নতুন ভাবে চায়ের দোকান করার অভিযোগ উঠেছে আব্দুস সালামের বিরুদ্ধে।

ঘটনা স্থলে গিয়ে জানা যায় ঐ অসহায় নারী মৃত ঝাঁটু মন্ডলের ছেলে মৃত আমজাদ আলীর স্ত্রী মোসাঃ পারভিন বেগম। পারভিন বলেন আমার স্বামী আমজাদ বেঁচে থাকা অবস্থা থেকেই রাকিমুদ্দিন কে আমাদের দোকান ঘর দুটি ভাড়া দেওয়া ছিল। স্বামী মারা যাওয়ার পর আমি আবার ২০২২ সাল থেকে ২০৩২ সাল পর্যন্ত ডিডের মাধ্যমে ১০বছরের জন্য ভাড়া দিয়েছি রাকিমুদ্দিন কে। জামানত বাবত ২লক্ষ টাকা নেওয়া আছে। মাসে ভাড়াবাবত ১৮০০টাকা করে চুক্তি রয়েছে। ঐ ভাড়ার টাকা দিয়ে কোন রকম ভাবে ছোট ছোট এতিম মেয়ে বাচ্চাদের নিয়ে দিনপাত করে আসছি। পারভিন জানান আমার এলাকার লোকজন, দোকান ব্যবসায়ী, গ্রাম পুলিশ ও চেয়ারম্যান সহ যারা জানেন বা দেখেছেন তারা সঠিক কথা বলবেন। ধান লুটপাটের সময় আমি বাধা দিতে গেলে আমাকে বেধড়ক মারধর করে সালাম ও তার অনুসারীরা ক্যাডার বাহিনীরা। আমি এখন চাঁপাইনবাবগঞ্জ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছি।
এদিকে ভাড়াটিয়া ধান আড়ৎদার রাকিমুদ্দিন বলেন ১৯৯৫সাল থেকে সালামের বড় ভাই মান্নান মহরিল বেঁচে থাকা অবস্থা থেকেই এখন পর্যন্ত তার তিনটি দোকান ঘর ভাড়া নিয়ে আছি। তারপর ১৯৯৭সাল থেকে আমজাদ আলীর ঘর দুটিও ভাড়া নিয়ে আছি। ২০২১সালে আমজাদ মারা গেলে তার স্ত্রীর কাছ থেকে আবার ডিডের মাধ্যমে ভাড়া নিয়ে ব্যবসা করে আসছি।
হঠাৎ করে মাস ৫/৬ পূর্বে আমজাদ আলীর ভাই সালাম থানায় অভিযোগ করে যে দোকান ঘর দুটি আমার। থানা থেকে এসআই আবু তালেব তদন্তে আসে। জেনে শুনে, তদন্ত করে আমজাদ আলীর স্ত্রী পারভীন এর ঘর বলে আবার পূণরায় বহাল করে যায়। রাকিবুল আবার বলেন এসআই আবু তালেব বদলী হওয়ার কিছুদিন পর ১৮/৭/২০২৩ তাং আবার এসআই আব্দুর রাজ্জাক বলে দোকান ঘর থেকে ধান বের করে নেন। ঘর দুটি আঃ সালামের। তাকে ঘর ছেড়ে দিতে হবে।
তার পরেরদিন হঠাৎ দেখি যে আমার দোকান ঘরের তালার উপর আরেকটি করে তালা মারা আছে। তালা মারার কথা থানা পুলিশ কে বললে তারা আমাকে থানায় হাজির হতে বলে। ওসি মিন্টু রহমান নিজে ফোন দিয়ে ডাকে। আমি জানায় চেয়ারম্যান কে সাথে নিয়ে আসবো। চেয়ারম্যান প্রায় মাস খানেক অসুস্থ থাকায় আমি একা হাজির হতে পারিনি। ওরা তালা মারার পর, আমি নেজামপুর ইউনিয়ন পরিষদে লিখিতভাবে অভিযোগ করি। এক দুই করে তিন ডেট পেরিয়ে গেলেও সালাম পরিষদে হাজির না হয়ে গ্রাম পুলিশদের মাধ্যমে খবর দেয় যে, সে পরিষদে হাজির হবেন না।
সালাম পরিষদে হাজির না হলে চেয়ারম্যান আমিনুল হক রাকিমুদ্দিন কে উচ্চ আদালতে যাওয়ার জন্য ঐ অভিযোগ কপিতে সুপারিশ করে দেন।
রাকিমুদ্দিন বলেন অন্য জায়গায় ধান ক্রয় করে ব্যবসার উদ্দেশ্যে গত সোমবার চাঁপাইনবাবগঞ্জ নিয়ে যায়। আনুমানিক ২টার দিকে আমার কাছে ফোন যায় যে, আঃ সালাম তার স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে এবং তার কিছু অনুসারী ক্যাডার বাহিনী নিয়ে তালা ভেঙে সব ধান বের করে নিয়ে যাচ্ছে। এমন অবস্থা ৯৯৯ ফোন করলে নাচোল থানাকে অবহিত করলে একটু দেরিতে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ।
গিয়ে তদন্ত করে চলে আসে। তারপর আমি থানার এসআই রাজ্জাক কে অনেক বার ফোন দিলেও আমার ফোনটি রিসিভ করেন নি। আমার দুটি ঘরে ৪৬০ মণ জিরা ধান ভরা ছিল, যার আনুমানিক মূল্য ৬ লক্ষ ৪৪ হাজার টাকা।
এবিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুল হক জানান মৃত ঝাঁটু মন্ডলের ৪ ছেলে, আব্দুল মান্নান, আমজাদ আলী, হান্নান (খোঁকা) ও সালাম। আমি জানি যে মান্নান মহরিল বেঁচে থাকা অবস্থায় চার ভাইয়ের জমি সমান ভাবে ভাগ করে দিয়ে ছিলেন।
এবং আপন আপন জায়গা ভোগ দখল করে আসছেন।
কিছু দিন থেকে সালাম তার ভাই মৃত আমজাদ আলীর দোকান ঘর দুটি দখল করার জন্য অনেক টালবাহানা করতে করতে গত সোমবার জোর করে বাড়াটিয়া রাকিমুদ্দিন এর ধান বাইরে টেনে ফেলে দিয়ে দোকান ঘর দুটি দখল করে নিয়েছে।
পরিষদের গ্রাম পুলিশ বিরেন, আব্দুল আজিজ, শ্রী তপন বর্মন ও মহিরুদ্দিন জানান দোকান ঘর দুটি মৃত আমজাদ আলীর আমরা জানি। এবং ২৬/২৭ বছর ধরে রাকিমুদ্দিন ভাড়া নিয়ে ধানের ব্যবসা করে আসছেন।
হঠাৎ গত সোমবার দুপুরে দিকে শুনতে পাই যে তালা ভেঙ্গে ধান বের করে নিয়ে যাচ্ছে। আমরা চেয়ারম্যান এর আর্দেশ পেয়ে ঘটনা স্থলে গিয়ে দেখি সালাম তার পরিবারের ছেলে মেয়ে ও বাইরে কিছু তার অনুসারীরা বাহিনীরা ধান বের করে কেউ অন্য একজনের বারান্দায় রাখছে,, আবার কেউ নিয়ে চলে যাচ্ছে।
এবং ঘর মালিক মৃত আমজাদ এর স্ত্রী পারভিন বেগম বাধা দিতে গেলে তাকে ধরে মারধর শুরু করে। সে নির্যাতন সইতে না পেরে কারেন্টের তারের সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করতে যাচ্ছিল।

এবিষয়ে বিবাদী আঃ সালামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন ঐ দোকান ঘর দুটি আমার দলিল মূলে দখল করেছি।

এবিষয়ে এসআই রাজ্জাক এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তার ফোনটি রিসিভ হয়নি।
ওসি মিন্টু রহমান এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়েছিল এবং তদন্ত করে এসেছে। বাদী এবং বিবাদী ওরা আপন ভাই। ওদের জমির ভেজাল ওরা বসে সেরে নিবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

অসহায় বিধবা নারীর দোকান ঘর জবরদখল, এবং ঘর থেকে বাড়াটিয়ার ধান লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে সালামের বিরুদ্ধে

আপডেট সময় : ০৩:১৫:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৩

মোঃ মনিরুল ইসলাম নাচোল চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে জবরদখল করে আমার ভাতভিক্ষা দোকান ঘর দুটি কেড়ে নিলো আব্দুস সালাম, এক অসহায় বিধবা নারীর আর্তনাদ, এদিকে ঐ ঘর দুটি ভাড়া নিয়ে ধানের ব্যবসা করছেন স্থানীয় রাকিমুদ্দিন, সেই দুটি ঘর থেকে ধান লুটপাট করেই আবার নতুন ভাবে চায়ের দোকান করার অভিযোগ উঠেছে আব্দুস সালামের বিরুদ্ধে।

ঘটনা স্থলে গিয়ে জানা যায় ঐ অসহায় নারী মৃত ঝাঁটু মন্ডলের ছেলে মৃত আমজাদ আলীর স্ত্রী মোসাঃ পারভিন বেগম। পারভিন বলেন আমার স্বামী আমজাদ বেঁচে থাকা অবস্থা থেকেই রাকিমুদ্দিন কে আমাদের দোকান ঘর দুটি ভাড়া দেওয়া ছিল। স্বামী মারা যাওয়ার পর আমি আবার ২০২২ সাল থেকে ২০৩২ সাল পর্যন্ত ডিডের মাধ্যমে ১০বছরের জন্য ভাড়া দিয়েছি রাকিমুদ্দিন কে। জামানত বাবত ২লক্ষ টাকা নেওয়া আছে। মাসে ভাড়াবাবত ১৮০০টাকা করে চুক্তি রয়েছে। ঐ ভাড়ার টাকা দিয়ে কোন রকম ভাবে ছোট ছোট এতিম মেয়ে বাচ্চাদের নিয়ে দিনপাত করে আসছি। পারভিন জানান আমার এলাকার লোকজন, দোকান ব্যবসায়ী, গ্রাম পুলিশ ও চেয়ারম্যান সহ যারা জানেন বা দেখেছেন তারা সঠিক কথা বলবেন। ধান লুটপাটের সময় আমি বাধা দিতে গেলে আমাকে বেধড়ক মারধর করে সালাম ও তার অনুসারীরা ক্যাডার বাহিনীরা। আমি এখন চাঁপাইনবাবগঞ্জ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছি।
এদিকে ভাড়াটিয়া ধান আড়ৎদার রাকিমুদ্দিন বলেন ১৯৯৫সাল থেকে সালামের বড় ভাই মান্নান মহরিল বেঁচে থাকা অবস্থা থেকেই এখন পর্যন্ত তার তিনটি দোকান ঘর ভাড়া নিয়ে আছি। তারপর ১৯৯৭সাল থেকে আমজাদ আলীর ঘর দুটিও ভাড়া নিয়ে আছি। ২০২১সালে আমজাদ মারা গেলে তার স্ত্রীর কাছ থেকে আবার ডিডের মাধ্যমে ভাড়া নিয়ে ব্যবসা করে আসছি।
হঠাৎ করে মাস ৫/৬ পূর্বে আমজাদ আলীর ভাই সালাম থানায় অভিযোগ করে যে দোকান ঘর দুটি আমার। থানা থেকে এসআই আবু তালেব তদন্তে আসে। জেনে শুনে, তদন্ত করে আমজাদ আলীর স্ত্রী পারভীন এর ঘর বলে আবার পূণরায় বহাল করে যায়। রাকিবুল আবার বলেন এসআই আবু তালেব বদলী হওয়ার কিছুদিন পর ১৮/৭/২০২৩ তাং আবার এসআই আব্দুর রাজ্জাক বলে দোকান ঘর থেকে ধান বের করে নেন। ঘর দুটি আঃ সালামের। তাকে ঘর ছেড়ে দিতে হবে।
তার পরেরদিন হঠাৎ দেখি যে আমার দোকান ঘরের তালার উপর আরেকটি করে তালা মারা আছে। তালা মারার কথা থানা পুলিশ কে বললে তারা আমাকে থানায় হাজির হতে বলে। ওসি মিন্টু রহমান নিজে ফোন দিয়ে ডাকে। আমি জানায় চেয়ারম্যান কে সাথে নিয়ে আসবো। চেয়ারম্যান প্রায় মাস খানেক অসুস্থ থাকায় আমি একা হাজির হতে পারিনি। ওরা তালা মারার পর, আমি নেজামপুর ইউনিয়ন পরিষদে লিখিতভাবে অভিযোগ করি। এক দুই করে তিন ডেট পেরিয়ে গেলেও সালাম পরিষদে হাজির না হয়ে গ্রাম পুলিশদের মাধ্যমে খবর দেয় যে, সে পরিষদে হাজির হবেন না।
সালাম পরিষদে হাজির না হলে চেয়ারম্যান আমিনুল হক রাকিমুদ্দিন কে উচ্চ আদালতে যাওয়ার জন্য ঐ অভিযোগ কপিতে সুপারিশ করে দেন।
রাকিমুদ্দিন বলেন অন্য জায়গায় ধান ক্রয় করে ব্যবসার উদ্দেশ্যে গত সোমবার চাঁপাইনবাবগঞ্জ নিয়ে যায়। আনুমানিক ২টার দিকে আমার কাছে ফোন যায় যে, আঃ সালাম তার স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে এবং তার কিছু অনুসারী ক্যাডার বাহিনী নিয়ে তালা ভেঙে সব ধান বের করে নিয়ে যাচ্ছে। এমন অবস্থা ৯৯৯ ফোন করলে নাচোল থানাকে অবহিত করলে একটু দেরিতে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ।
গিয়ে তদন্ত করে চলে আসে। তারপর আমি থানার এসআই রাজ্জাক কে অনেক বার ফোন দিলেও আমার ফোনটি রিসিভ করেন নি। আমার দুটি ঘরে ৪৬০ মণ জিরা ধান ভরা ছিল, যার আনুমানিক মূল্য ৬ লক্ষ ৪৪ হাজার টাকা।
এবিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুল হক জানান মৃত ঝাঁটু মন্ডলের ৪ ছেলে, আব্দুল মান্নান, আমজাদ আলী, হান্নান (খোঁকা) ও সালাম। আমি জানি যে মান্নান মহরিল বেঁচে থাকা অবস্থায় চার ভাইয়ের জমি সমান ভাবে ভাগ করে দিয়ে ছিলেন।
এবং আপন আপন জায়গা ভোগ দখল করে আসছেন।
কিছু দিন থেকে সালাম তার ভাই মৃত আমজাদ আলীর দোকান ঘর দুটি দখল করার জন্য অনেক টালবাহানা করতে করতে গত সোমবার জোর করে বাড়াটিয়া রাকিমুদ্দিন এর ধান বাইরে টেনে ফেলে দিয়ে দোকান ঘর দুটি দখল করে নিয়েছে।
পরিষদের গ্রাম পুলিশ বিরেন, আব্দুল আজিজ, শ্রী তপন বর্মন ও মহিরুদ্দিন জানান দোকান ঘর দুটি মৃত আমজাদ আলীর আমরা জানি। এবং ২৬/২৭ বছর ধরে রাকিমুদ্দিন ভাড়া নিয়ে ধানের ব্যবসা করে আসছেন।
হঠাৎ গত সোমবার দুপুরে দিকে শুনতে পাই যে তালা ভেঙ্গে ধান বের করে নিয়ে যাচ্ছে। আমরা চেয়ারম্যান এর আর্দেশ পেয়ে ঘটনা স্থলে গিয়ে দেখি সালাম তার পরিবারের ছেলে মেয়ে ও বাইরে কিছু তার অনুসারীরা বাহিনীরা ধান বের করে কেউ অন্য একজনের বারান্দায় রাখছে,, আবার কেউ নিয়ে চলে যাচ্ছে।
এবং ঘর মালিক মৃত আমজাদ এর স্ত্রী পারভিন বেগম বাধা দিতে গেলে তাকে ধরে মারধর শুরু করে। সে নির্যাতন সইতে না পেরে কারেন্টের তারের সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করতে যাচ্ছিল।

এবিষয়ে বিবাদী আঃ সালামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন ঐ দোকান ঘর দুটি আমার দলিল মূলে দখল করেছি।

এবিষয়ে এসআই রাজ্জাক এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তার ফোনটি রিসিভ হয়নি।
ওসি মিন্টু রহমান এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়েছিল এবং তদন্ত করে এসেছে। বাদী এবং বিবাদী ওরা আপন ভাই। ওদের জমির ভেজাল ওরা বসে সেরে নিবে।