যৌতুকের মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে নিজেই, নিজেকে শেষ করে দিলেন তুষা

প্রেমকে সার্থক করতে সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে প্রেমিকের সঙ্গে বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন জান্নাতুল ফে’রদৌস তুষা। কিন্তু স্বার্থ’পর সেই প্রেমিকের আসল রূপ ধ'রা পড়ল বিয়ের পর। তুষার ওপর নেমে আসে নি’র্যাতনে’র খ’ড়গ। যৌতু’কের মা’নসি’ক চাপ স’হ্য করতে না পেরে নিজেই, নি’জেকে শেষ করে দিলেন তু’ষা। স’বাইকে ফাঁকি দিয়ে পাড়ি জ”মালেন না ফে’রা’র দেশে।

বৃহস্প’তিবার রাত ৮টার দিকে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজে'লার বাঁশবাড়িয়া ইউপির বাঁশবাড়ী’য়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় চেয়ার’ম্যানের মাধ্যমে খবর পেয়ে সী’তাকুণ্ড থানার পু'লিশ লা'শ উদ্ধা’র করে চট্টগ্রাম মেডি’কেল কলেজ হাস*পাতাল ম’র্গে’ পাঠায়।
বিয়ের আসর

এ ঘটনায় নি’হতে’র বাবা মোহা’ম্ম'দ রফিক বাদী হয়ে চার’জনকে আ'সামি করে আ’ত্মহ’ত্যা’য় প্ররোচণার অ'ভি’যোগে একটি মা’ম’লা করেছেন। মা’ম’লায় ইমতিয়াজ হোসেন শিবলু তার বাবা জাফ’র ইকবাল, মা মাজেদা বেগম ও শিব’লুর মা’মা দেলোয়ার হোসেনকে আ’সা’মি করা হয়।

উপজে'লার শীতলপুর লা’লবাগ এলাকার ইমতিয়াজ হোসেন শিবলু প্রে’মের স’ম্পর্ক গড়ে তোলে মধ্যম বাঁশ’বাড়িয়া এলাকার মোহাম্ম'দ রফিকের মেয়ে জান্নাতুল ফে’রদৌস তুষার সঙ্গে। গত বছরের ২৮ নভেম্বর গো'পনে কো’র্ট ম্যারে’জ করে তারা।

এর কিছুদিন পর অবস্থা পাল্টে যে’তে থাকে। শি’বলু ও তার পরিবার তুষার পরিবারেরকে যৌ’তুকের জন্য মান’সিক নি’র্যা’তন চালা’তে থাকে। যৌতু’ক হিসাবে পা’কা ঘর করে দেয়া, দশ প’দের ফা’র্নিচার ছাড়াও ন’গদ টাকা ও অনুষ্ঠানে দুই হা’জার লোকের খাও’য়ার ব্যবস্থার ইত্যাদি দাবি জানায়। অন্য’থায় তালা’ক দেবে বলে জানিয়ে দেয়।

এ নিয়ে শিবলুর মা’মা দেলোয়ার হোসেনের প্র’ত্যক্ষ ম’দ’দ রয়েছে বলেও জানান নি’হতে’র বাবা। এ নিয়ে ছেলে ও মেয়ে উ’ভ’য়ের মধ্যে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ‘মোবাইল ফোনে কথা কা'টা’কাটি হয়। আর তা স’হ্য করতে না পে’রে রাত ৮টার দি’কে সি’লিং ফ্যা’নের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আ’ত্মহ’ত্যা করেন জান্না’তুল ফেরদৌস।

সীতাকুণ্ড থা’নার ওসি (ত'দন্ত) শা’মীম শেখ জানান, এ ঘটনায় মা’ম’লা হয়েছে। আ’সামি’দের গ্রে’ফতা’রে অ'ভি’যান অ’ব্যাহত রয়েছে।